ইরান যুদ্ধ নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বিরোধ, ৫ হাজার সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
পেন্টাগন বলেছে, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যেই সেনা প্রত্যাহারের কাজ শেষ হবে।
পেন্টাগন বলেছে, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যেই সেনা প্রত্যাহারের কাজ শেষ হবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি যারা লাভবান হচ্ছে, তাদের মধ্যে আছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস উৎপাদকেরা; তারা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ‘অস্বাভাবিক মুনাফা’ করেছে।
ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর দাবার চালগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, সব সমীকরণই গিয়ে মিলছে স্ট্যাচু অব লিবার্টির দেশে।
আলোচনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা ইরানের। আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয়।
তেহরান ওয়াশিংটনের মতো একই খেলা খেলছে—এই ধারণা। তা নয়। ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে পরাজিত করতে চাইছে না। বরং তাদের চেয়ে বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে, তাদের লক্ষ্যকে জটিল করে তুলতে এবং খরচ বাড়িয়ে তুলতে চাইছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ৩ হাজার স্থানে হাজারো মানুষ অর্থনৈতিক অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার দরজা খোলা রাখতে সচেষ্ট পাকিস্তান।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলেই দেশের কৃষি সেচব্যবস্থা ও বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে শ্রমবাজারের শক্ত ভিত্তি রচিত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী।
জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ইরানকে আলোচনায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইতিপূর্বে যারা সরকার গঠন করেছে কিংবা সরকারের শরিক হয়েছে, তারা কেউ স্বৈরাচারী কেউ–বা ফ্যাসিবাদীর অভিধা অর্জন করেছে। সে বাবদে বলা যায়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী-আনুগত্যপ্রত্যাশী শাসক তৈরির উর্বর ক্ষেত্র।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ নিয়ে বলেছেন, ‘রাজা ও রানি প্রায় না বলেই এমন একটি কাজ করিয়ে নিয়েছেন, যা আর কেউ করতে পারেনি।’
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ-পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে কংগ্রেসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মানসিক স্থিতিশীলতা’ এবং সামাজিক মাধ্যমের ‘অসংলগ্ন’ পোস্টগুলো নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছে।