এই লেখা তথ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে
বহুল আকাঙ্ক্ষিত ও আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপি গঠন করেছে নতুন সরকার।
বহুল আকাঙ্ক্ষিত ও আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপি গঠন করেছে নতুন সরকার।
বিবৃতিদাতারা বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় এসে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে বিজয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সমর্থন জানিয়ে চীন আশা প্রকাশ করেছে, এই সরকারের আমলে ‘নতুন উচ্চতায়’ পৌঁছাবে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক।
জামায়াতে ইসলামী বিএনপি সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে চায়।
সদ্য গঠিত বিএনপি সরকারের ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে এ সভা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। তাঁর জয়ের ব্যাপারে দলটির নেতা-কর্মীরা শুরু থেকেই বেশ আশাবাদী ছিলেন। তবে ৩৩ হাজার ৬৫৪ ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের কাছে পরাজিত হন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আর সেই সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন জয়পুরহাট-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল বারী।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন পঞ্চগড়-২ আসনের (বোদা ও দেবীগঞ্জ) নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন (আজাদ)। স্বাধীনতার পর এই আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রথমবারের মতো মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হলেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় কার কার স্থান হতে পারে, তা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।
দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে যশোরে এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলেছে। দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে এককভাবে নির্বাচন করা বিএনপি ও জামায়াতের জন্য আশীর্বাদ ও চ্যালেঞ্জ, উভয়ই বয়ে এনেছে।
নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতিতে বিএনপি। জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মুখ ও শরিকদের নিয়েও জোর আলোচনা।