নজরুলের প্রেমগীতের নন্দনতত্ত্ব: কাব্যভাষা, রোমান্টিকতা, প্রতীকতত্ত্ব ও মানবিক সৌন্দর্যবোধের আলোকে বিশ্লেষণ
নজরুলের প্রেমগীত বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য নান্দনিক সম্পদ। তাঁর গানে প্রেম, প্রকৃতি, সৌন্দর্য ও মানবিক অনুভূতি সমন্বিত হয়েছে।
নজরুলের প্রেমগীত বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য নান্দনিক সম্পদ। তাঁর গানে প্রেম, প্রকৃতি, সৌন্দর্য ও মানবিক অনুভূতি সমন্বিত হয়েছে।
দীর্ঘদিন তাঁকে চেনানো হয়েছে দিয়েগো রিভেরার স্ত্রী হিসেবে। এখন সেটা উলটে গেছে। রিভেরা এখন পরিচিত হন ‘ফ্রিদা কাহলোর স্বামী’ হিসেবে। মেক্সিকোর দুই বড় চিত্রশিল্পীর মধ্যে খ্যাতির এই স্থানান্তর যতটা শৈল্পিক প্রশ্ন, ততটাই ক্ষমতার প্রশ্ন।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন।
সরকার ২০২৬ সালের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কালকে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
তাঁর হাস্যরসের অন্তরালে আছে ক্ষোভ ও বেদনার অনুভূতি। তাঁর বক্তব্যের মধ্যে যেন অকথিত একটা কিছু থাকে, যা বুঝে নিতে হয়।
প্রতিটি প্রায় একই রকম আয়াতের মধ্যে শব্দের সামান্য অদলবদল, একটা শব্দের আগে-পরে হওয়া বা বাক্যের গঠনে ছোট কোনো পরিবর্তন, যা নিছক কাকতালীয় নয়।
বাংলাদেশের সমসাময়িক শিল্পচর্চায় আজ একদিকে রয়েছে বাস্তবানুগ বা ফটোগ্রাফিক দক্ষতার প্রতি প্রবল আকর্ষণ, অন্যদিকে রয়েছে প্রকৃতি ও বাস্তবতাকে আত্মস্থ করে সেটিকে নতুন নন্দনভাষায় রূপ দেওয়ার প্রবণতা। রাজধানীর গ্যালারি কায়ার ২২তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ দলগত প্রদর্শনীটি দ্বিতীয় প্রবণতার এক বিস্তৃত ও তাৎপর্যপূর্ণ মানচিত্র হাজির করেছে। প্রদর্শনীতে ৪৫ জন আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্পীর ৭৩টি নির্বাচিত শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। ১৯৫৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় সাত দশকের শিল্পযাত্রাকে একত্র করেছে এই আয়োজন।
আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় আবৃত্তি পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
‘ভূমি গ্যালারি’র উদ্বোধনী প্রদর্শনীর সাফল্যের পর, এবার তিন প্রজন্মের ১০ শিল্পীর সমসাময়িক কালে আঁকা চিত্রকর্ম নিয়ে ‘পারসিসটেন্স’ অর্থাৎ ‘সংকল্প’ নামে বিশেষ একটি চিত্রকর্ম প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১৯ জুন শুক্রবার। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আগে ও পরের অর্থাৎ গত শতকের সত্তর ও আশির দশকের আটজন স্বনামধন্য চিত্রশিল্পীর সঙ্গে এ শতকের শূন্য ও ১০ দশকের অপেক্ষাকৃত তরুণ দুজন শিল্পীও এ প্রদর্শনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এই দুই শিল্পী সহিদ কাজী ও আবদুল্লাহ আল বশীর।
ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক থেকে তিনি আজ আমাদের সবার শিক্ষক, জাতির শিক্ষক। জাতীয় অধ্যাপক তিনি নন, তবু তিনি জাতির কিংবদন্তি শিক্ষক।
একদিকে ধনকুবেরের বিলাসী জীবন, অন্যদিকে চে গুয়েভারার বিপ্লবের স্বপ্ন সাকার করার আকাঙ্ক্ষা। এক হাতে বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দেওয়া বইয়ের পাণ্ডুলিপি, অন্য হাতে ‘অস্ত্র’। গত শতকের ইউরোপীয় ইতিহাসে জিয়ানজিয়াকোমো ফেলত্রিনেল্লির (Giangiacomo Feltrinelli) চেয়ে রহস্যময় ও বৈপরীত্যে ভরা চরিত্র কি আছে?