হরমুজ সংকটের মধ্যে দিনে ১৪ কোটি ডলারের তেল বিক্রি করছে ইরান, যুদ্ধের মধ্যেও বেড়েছে আয়
যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।
যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।
হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তেহরান এই জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে। ট্রাম্প-সি চিন পিংয়ের বৈঠকে এই বিষয় আলোচিত হবে।
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত অভিবাসীদের নিতে রাজি হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ করে ফেলে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মিত্রদেশগুলো সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
চীন এই যুদ্ধকে চরম রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং সামরিক হুমকি উভয় হিসেবেই দেখছে।
যে নেতারা একসময় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করতে, তাঁকে তোষামোদ করতে চেষ্টা করতেন, তাঁরা এখন তাঁর সমালোচনার সাহস দেখাচ্ছেন, তাঁর থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন।
ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধ থেকে অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথে হেঁটেছেন। এই কৌশল মূলত নতুন করে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা করা ছাড়াই সংঘাত শেষ করার চেষ্টা।
ইরান যুদ্ধের কারণে মানুষের কত বড় ক্ষতি হয়েছে, তা এরই মধ্যে স্পষ্ট। ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুদ্ধবিরতির পর সেনাদের গুলি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন, তবে শর্ত না মানলে লড়াই চলবে। ১০ এপ্রিল শুক্রবার ইসলামাবাদে ১০ দফা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালী খোলার উপর নির্ভর করছে যুদ্ধবিরতি।
ইরান হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন কেব্লে টোল আরোপ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে চায়।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি মার্কিন তেল ট্যাংকার লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।