এলাকাভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের প্রতিশ্রুতি খালিদুজ্জামানের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৭ আসনে ১০–দলীয় ঐক্যের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৭ আসনে ১০–দলীয় ঐক্যের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনে অনিশ্চয়তার মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন একটি প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে সবাইকে নিয়েই আগামী পাঁচ বছর দেশ চালাতে চাই। আমরা বিভক্তির বাংলাদেশ চাই না। আমরা ঐক্যের বাংলাদেশ চাই।’
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রকে পুনর্গঠন ও মেরামত করতে হলে সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে হবে।
ফেনী-২ (সদর) আসনে ‘১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো নিশ্চিত হয়নি। আমরা এ কথাটা বারবার বলছি।’
সারা বাংলাদেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘আপনারা ১০-দলীয় ঐক্যকে বিজয়ী করুন।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ। তবে এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু নাছের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা বরাদ্দ পেয়েছেন। তাঁর প্রতিনিধি আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ নেন।
ফেনীতে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনটি ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক এনসিপির জন্য ছাড় দেওয়ার কথা থাকলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় নগরের বহদ্দারহাট এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় এনসিপি প্রার্থীকে নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
জামায়াতে ইসলামীসহ ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের আসন সমঝোতা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়ে গেছে।
তালেবান আন্দোলনকে দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানের সবচেয়ে সংগঠিত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসেবে দেখা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনীর বিরুদ্ধে দুই দশকের যুদ্ধেও এই সংগঠন ভাঙেনি।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় কোনো সংগঠনের সমর্থন ছাড়াই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একটি অংশ মিলে ‘সাধারণের ঐক্যস্বর’ নামে প্যানেল গঠন করেছেন।