
যদি নিয়মই নিয়ম ভাঙার সুযোগ দেয়, তাহলে নিয়মের দরকার কী
ন্যাটোর কাঠামোর মধ্যেই এমন দখলদার মানসিকতা বৈধতা পায়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এই জোটের প্রয়োজনীয়তা কোথায়।

ন্যাটোর কাঠামোর মধ্যেই এমন দখলদার মানসিকতা বৈধতা পায়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এই জোটের প্রয়োজনীয়তা কোথায়।

আমেরিকা মহাদেশ থেকে আসা ক্যাপসিকাম এখন বাংলাদেশেও খাদ্যের অন্যতম উপকরণে পরিণত হয়েছে। উপযোগী আবহাওয়া ও বাজার তৈরি হওয়ায় এর উৎপাদন বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে গ্রিনল্যান্ডের রাজনীতিবিদেরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা ‘আমেরিকান হতে চান না’।

আগামী জুনে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠেয় ফিফা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল, ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়া ও কলম্বিয়া।

লাতিন আমেরিকার সমাজ আরব সমাজের মতোই। সেখানে দেশগুলোকেও আত্মমগ্ন ও জনতুষ্টিবাদী নেতাদের বোঝা বইতে হয়। আমি ২০০৭ সালে কারাকাস গিয়েছিলাম। তখন শহরটিকে সুন্দর ও পরিষ্কার মনে হয়েছিল। শহরটিকে ঘিরে বেশ কিছু বস্তি ছিল। আমাদের গাইড আক্ষেপ করে বলেছিলেন, বস্তিবাসীরা সবাই অভিবাসী। উন্নত জীবনের আশায় লাখ লাখ মানুষ এই তথাকথিত ধনী দেশে এসে জড়ো হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীন বাঁচার সবচেয়ে জরুরি নিয়ম একটাই—তাঁর কথা বিশ্বাস করবেন না।

ভেনেজুয়েলায় যা ঘটছে, তা কোনো আদর্শিক লড়াই বা দুই রাষ্ট্রের সংঘাত নয়; এটি একধরনের বৈশ্বিক ‘রিসিভারশিপ’

প্রবাসের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি-সাহিত্যকে যত্নের সঙ্গেই লালন-পালন করতে হবে। বাংলাকে ব্যাপকভাবে প্রচার ও তার প্রসার ঘটাতে প্রবাসী সব বাঙালিকে নিতে হবে গুরুদায়িত্ব। তাদেরই ভেবে বের করতে হবে যথাসম্ভব নতুন উপায়।

যুক্তরাষ্ট্রের বোমায় যখন ভেনেজুয়েলার আকাশ জ্বলে উঠছিল, তখন আমরা এক ক্ষয়িষ্ণু সাম্রাজ্যের রোগলক্ষণ দেখতে পাচ্ছিলাম।

২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের করুণ পরিণতি এখনো যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক উদাহরণ হলো লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বারবার হস্তক্ষেপ।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করার অভিযানটি কয়েক মাসের পরিকল্পনা ও মহড়ার ফল। গোয়েন্দারা দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট দম্পতির চলাচল নজরে রাখে।

আমেরিকা অঞ্চলের বেশির ভাগ দেশই যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের শিকার হয়েছে।