
ভোটের মাঠে আওয়ামী নেতাদের ডিমান্ড, জিএম কাদেরের দুশ্চিন্তা
নির্বাচনের প্রচারণা ভালোই এগোচ্ছে। এখন পর্যন্ত মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চলছে।

নির্বাচনের প্রচারণা ভালোই এগোচ্ছে। এখন পর্যন্ত মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চলছে।

ভোট দিতে চান অধিকাংশ ভোটার। ১০ আসন শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত, একটি উন্মুক্ত। অর্থাৎ ৮ আসনে জামায়াতের দলীয় প্রার্থী রয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর হয়ে ভোট করছেন ১৬ জন। অন্য দুটি দলের প্রার্থী দুজন। মোট ১৮ জনের সবাই শিবিরের সভাপতি বা সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন।

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সংঘর্ষ ও প্রাণহানি দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত। এ ছাড়া বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়া, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুরসহ বিভিন্ন সহিংসতার প্রবণতা বাড়ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান–সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটও হবে।

বিএনপি সরকারে গেলে চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছু যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি পড়লে অন্তর্বর্তী সরকার আরও ছয় মাস ক্ষমতায় থাকবে—এমন দাবিকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে সরকার।

রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথাগুলো বলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা।

‘ফুটবল’ প্রতীক পেয়ে পরদিন থেকে প্রচার শুরু করেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সামিরা আজিম। আট দিনের মাথায় এই সমঝোতায় খুশি বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে দিরাই উপজেলার কাদিরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন হলে সংশ্লিষ্ট আসনের সব পোস্টাল ভোট বাতিল।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘ষড়যন্ত্র কিন্তু এখনো শেষ হয়নি। একটা তো পালিয়ে গিয়েছে দেশ থেকে। কিন্তু আরেকটা পক্ষ আছে যারা, এই দুই পক্ষ আবার আগে থেকে একসাথেই ছিল। এই দুই পক্ষ কিন্তু বিভিন্ন সময় একসাথেই ছিল, তলেতলে একসাথেই ছিল। গত ১৬ বছরেও আপনারা মাঠেঘাটে কোথাও ওদের পেয়েছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে তাদেরকে পেয়েছেন? কোথাও ছিল না।’