যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা: ইরানের পরমাণু, ক্ষেপণাস্ত্র ও জ্বালানি স্থাপনা ‘নিশানা’ হতে পারে
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন হামলার নিশানা হতে পারে ইরানের পরমাণু, ক্ষেপণাস্ত্র, জ্বালানি-সংক্রান্ত স্থাপনা।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন হামলার নিশানা হতে পারে ইরানের পরমাণু, ক্ষেপণাস্ত্র, জ্বালানি-সংক্রান্ত স্থাপনা।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত সালমান রুশদির হামলাকারী হাদি মাতারকে আন্তসীমান্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা ও হিজবুল্লাহকে সহায়তা দেওয়ার অভিযোগসহ আরও দুটি ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
তারা ১২ দিনের যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে ইরান ভয় পায় না
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মুখে আলোচনার পরিবেশ ফেরাতে তেহরানে কাতারি প্রতিনিধি দল। পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে হতাশ ট্রাম্প প্রশাসন এবং ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
ইরাক চেষ্টা করছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখতে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের ওই এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘বিদ্বেষমূলক অপরাধ’ বিবেচনায় নিয়ে এ হামলার তদন্ত করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থানের একটি বড় অংশই ইরানের হামলার শিকার হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে আগামী ছয় ছয় মাসের মধ্যে হামলার আশঙ্কা অনেক বেড়েছে।
মোজতবা খামেনির সব নির্দেশনা শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পাঠ করে শোনানো হয়।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের পাল্টা হামলার ধকল সইতে হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতকেও।