শিশু খেতে চায় না কেন, করণীয় কী
‘শিশু একদম খেতে চায় না। তার ক্ষুধা বলতে কিছু নেই’—এগুলো খুবই পরিচিত অভিযোগ। সাধারণভাবে এর দুটি কারণ দেখা যায়।
‘শিশু একদম খেতে চায় না। তার ক্ষুধা বলতে কিছু নেই’—এগুলো খুবই পরিচিত অভিযোগ। সাধারণভাবে এর দুটি কারণ দেখা যায়।
বিশ্বব্যাপী পুরুষদের মধ্যে দ্রুত বাড়তে থাকা ক্যানসারগুলোর একটি প্রোস্টেট ক্যানসার।
প্রি-কনসেপশন পুষ্টি বলতে বোঝায় গর্ভধারণের পূর্বেই এমন খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা, যা প্রজনন স্বাস্থ্যের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। শুধু নারী নয়, পুরুষের পুষ্টিও এখানে সমান গুরুত্বপূর্ণ।
চুল পড়তে পড়তে কারও মাথার কোনো বিশেষ অংশ ফাঁকা হয়ে যায়। এমনই এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে।
যাঁরা নিয়মিত প্রক্রিয়াজাত খাবার ও নির্দিষ্ট সংরক্ষণকারী উপাদান গ্রহণ করেন, তাঁদের মধ্যে ক্যানসার ও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।
গাউট বা গেঁটে বাত একটি মেটাবলিক ও প্রদাহজনিত রোগ, যা সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ না করলে চলাফেরা, কাজকর্ম ও জীবনযাত্রার মান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
নারীদের মধ্যে অনিদ্রার ঝুঁকি ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেশি। এতে তাঁদের ক্লান্তি, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি, কর্মক্ষমতা হ্রাস ও দীর্ঘ মেয়াদে নানা রোগের কারণ হতে পারে।
শরীরের জন্য পটাশিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান, বিশেষত হার্টের সুস্থতার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অনস্বীকার্য।
শিশুর দৈনিক কত ক্যালরি খাদ্যের প্রয়োজন, তা শিশুর বয়স, ওজন ও শারীরিক কাঠামোর ওপর নির্ভর করে। নির্ভর করে শিশুর বেড়ে ওঠার প্রকৃতি ও ক্ষুধা থাকা-না থাকার ওপর।
অনেকে বছরের পর বছর চেষ্টা করেও সন্তান লাভ করতে পারেন না। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এ অবস্থাকে বলে বন্ধ্যত্ব। নানা কারণেই হতে পারে বন্ধ্যত্ব।
করোনারি ধমনিতে চর্বি জমা হৃদ্রোগের অন্যতম কারণ। রক্তে শর্করার মাত্রা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ে।
এ ছাড়া কিছু ব্যথানাশক ও নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ মাড়ি থেকে রক্তপাত বাড়াতে পারে এবং কখনো কখনো মুখে ঘা তৈরি করতে পারে।