১৯৯১ সাল থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন দলের নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে ওয়েবসাইট
‘বাংলাদেশের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের ইশতেহার’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রকল্পের গবেষক অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং এম এম মুসা।
‘বাংলাদেশের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের ইশতেহার’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রকল্পের গবেষক অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং এম এম মুসা।
রাজনীতিতে যেসব নারী সক্রিয়, নিজ অঙ্গনে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের একটি আচরণবিধি থাকা উচিত বলে মনে করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।
জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলো ভোটারদের সামনে নানা ধরনের অঙ্গীকার তুলে ধরছে। তবে একটি সুস্পষ্ট আর্থিক কাঠামোর মধ্যে বিস্তারিত প্রস্তাব না থাকলে এসব প্রতিশ্রুতি কেবল সাধারণ অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষাই থেকে যায়।
রাজশাহী নগরের রামচন্দ্রপুর নদীর ধারের বস্তির বাসিন্দারা নির্বাচনের মৌসুমে টাকার বিনিময়ে রাজনৈতিক দলের মিছিলে অংশ নেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো যে ইশতেহার দিয়েছে, তাতে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ ও অধিকার নিশ্চিতের নিশ্চয়তা না পাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
ভোটারদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের মধ্যেও উন্নয়ন নিয়ে প্রায় একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে।
ভোটের মাঠে প্রচারের সঙ্গে অপপ্রচারও বেড়ে চলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।
ফেসবুকসহ অনলাইনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অন্য দলের নারী এবং সার্বিকভাবে নারীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ছড়াচ্ছেন, বাজে মন্তব্য করছেন।
সোশ্যাল মিডিয়া একটু স্ক্রল করলেই অনেক ফটোকার্ড চোখে পড়ছে ইদানীং। বিশেষ করে এই নির্বাচনকে সামনে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই ফটোকার্ড নিয়ে চরম যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কে কী বলেছে, সেটা নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া। তবে আমি যেটা দেখতে পারছি, সরাসরি মিথ্যার চেয়েও ভয়ংকর হলো ‘আউট অব কনটেক্সট’ বা প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে একটি ন্যারেটিভ প্রচার করা।
মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হন শ্রদ্ধার ভাই সিদ্ধান্ত কাপুর। সে সময় বাড়ির বাইরে রাজনৈতিক দলের কর্মীরা স্লোগান ও বিক্ষোভ করায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন শ্রদ্ধা।
নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। প্রচার এখন তুঙ্গে। এবারও নির্বাচনকালে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে অনেক নীতিগত প্রতিশ্রুতি হাজির করেছে।
২০২৬ সালে এসেও রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনীর জন্য জুলাই সনদ প্রশ্নে গণভোট আহ্বান করা হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত এবং পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যই এই গণভোটের ভিত্তি।