অর্ধলক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী রেজা কিবরিয়া
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৫ হাজার ৮৬৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৫ হাজার ৮৬৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া।
নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
বিএনপির প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের খুলনা মহানগর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।
তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর।
১৫০টি কেন্দ্রের সব কটিতে বিজয়ী হয়ে তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমির আবিদুর রহমান পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জয়ী হওয়ায় বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকারের সভাপতি নুরুল হককে (নুর) অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্ব হাসান মামুন।
সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে চারটিতে ধানের শীষ প্রতীকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা, অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় এই অঙ্গীকারগুলো করেছে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি।
তারেক রহমান এবার ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পাশাপাশি তিনি তাঁর পৈতৃক নিবাস বগুড়া-৬ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের আসনগুলোতে বরাবরই ভালো ফল করে আসছিল বিএনপি; কিন্তু ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে হোঁচট খায় দলটি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের ‘দুর্গ’ হিসেবে পরিচিত বগুড়ার অন্তত তিনটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে বিএনপি।