পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলা, পাল্টা হামলার সতর্কতা জারি ইরানের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শিল্পকারখানায় থাকা কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আইআরজিসি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শিল্পকারখানায় থাকা কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আইআরজিসি।
চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।
ইরানের অনুরোধে হুতিরা দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে লোহিত সাগর ও বাব আল–মানদেব প্রণালিতে মার্কিন রণতরির চলাচল ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য বড় অভিযানকে মন্থর করাই তাদের লক্ষ্য। এছাড়া সৌদি পাইপলাইন নিয়ে নতুন সম্ভাবনাও উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গতকাল শনিবার সকালে ইরানে হামলা শুরু করে।
গত বছর জুনে ইসরায়েল–ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র
মিনাবের স্কুলে হামলার পর মার্চ মাসে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে রয়টার্স বলেছিল, ওই হামলা সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো টার্গেটিং তথ্য ব্যবহারের ফলাফল ছিল।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইয়েমেনের হুতিরা সরাসরি যোগ দিয়ে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। লোহিত সাগরে জ্বালানি জাহাজ বন্ধের আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা বাড়বে। কূটনৈতিক চেষ্টা চললেও যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আজ শনিবার সকালে যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য নতুন এক সংঘাতের মধ্যে নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে পবিত্র রমজানেও একটি মসজিদে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা।
ইরানকে কয়েক দিনের যুদ্ধে পরাভূত করার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে, এখন ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ইরানের জনগণকে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলার চেষ্টা করবে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে এ সমঝোতার দিনও সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি সৌদি আরবের নিজস্ব যুদ্ধবিমানগুলো পূর্ব ইরাকে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে।