নফসের বিরুদ্ধে লড়াই: নিজের প্রবৃত্তিকে জয় করার ১০ কার্যকর কৌশল
নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার অর্থ এই নয় যে সব ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হবে, বরং অর্থ হলো লাগামহীন ইচ্ছাকে আল্লাহর হুকুমের অধীনে নিয়ে আসা।
নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার অর্থ এই নয় যে সব ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হবে, বরং অর্থ হলো লাগামহীন ইচ্ছাকে আল্লাহর হুকুমের অধীনে নিয়ে আসা।
যারা বিভিন্ন কারণে পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাদের উচিত নবীদের জীবনী থেকে শক্তি সঞ্চয় করা। মানুষের পরিকল্পনা যেখানে শেষ, আল্লাহর পরিকল্পনা সেখান থেকেই শুরু।
অনেকেই ইসলাম পালনের শুরুতে প্রবল উদ্যম নিয়ে প্রায় সব ধরনের ইবাদত শুরু করেন। কিন্তু একপর্যায়ে অতিরিক্ত বোঝার চাপে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে ইবাদত ছেড়ে দেন।
ধর্মীয় বিশ্বাস মুসলিমদের নেশা ছাড়তে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। প্রার্থনা, আত্মিক প্রতিফলন এবং আল্লাহর ওপর ভরসা আসক্তি নিরাময়ে মানসিক শক্তি জোগায়।
আল্লাহর রাসুল (সা.)–এর পুত্রসন্তানদের মৃত্যুর পর মক্কার কাফেররা তাঁকে ‘আবতার’ বা নির্বংশ বলে উপহাস করত। আস ইবনে ওয়াইল ছিলেন মক্কার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা।
দাম্পত্যে তিক্ততা তৈরি হলেও সমাজ বা পরিবারের চাপে অনেকে ধুঁকে ধুঁকে জীবন কাটান। সাহাবি বারিরার সাহসী সিদ্ধান্ত আমাদের জানায়, মানুষের অন্তরকে বাধ্য করার যায় না।
‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কি মক্কায় আপনার বাড়িতে অবস্থান করবেন? নবীজি বলেন, ‘আকিল কি আমাদের জন্য কোনো চারদেয়াল বা ঘরবাড়ি অবশিষ্ট রেখেছে?
অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।
কান্নাকাটি করলেই বলতেন আমার মেয়ের মনোবলে এত কম হলে হবে? তারপর জীবনের কত চড়াই–উতরাই গেল। দুটো বাবু নিয়ে আলাদা জীবন যাপন শুরু করলাম। ফোনে শুধু শুনতাম, মা তুমি পারবে, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো, তোমার দায়িত্ব আমার নানুদের সুন্দর করে মানুষ করা।
আমাদের কাজ হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং যখনই মন অস্থির হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়া, ‘আমি তো এখানে স্থায়ী নই, আমি তো কেবলই একজন মুসাফির।’
মুসলিম পরিবারের জন্য সন্তানের বিচ্যুতি বড় কষ্টের। তবে একজন বাবা যখন নিজের অহংকার বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধৈর্য ধরেন, তখন তিনি আরও বেশি সম্মানিত হন।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দলীয় এক আয়োজনে কৃষক দলের নেতা জুয়েল আরমান বলেছেন, আগামী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ ও ‘আল্লাহর নামে শুরু করিলাম’ ব্যাকটি পরাজিত হবে।