মুক্তিযুদ্ধের শক্তি ও চৈতন্য উদ্বোধনের তাগিদ
একাত্তরে আমরা দেখেছি জনযুদ্ধ; বাংলাদেশের মানুষের এক মহান অভ্যুদয়; কতিপয় আলবদর–রাজাকার বাদে বাকি সব মানুষের সম্মিলিত অসামান্য প্রতিরোধ ও সৃষ্টির পর্ব—যা এখনো আমাদের সামনের মুক্তির লড়াইকে সাহস জোগায়।
একাত্তরে আমরা দেখেছি জনযুদ্ধ; বাংলাদেশের মানুষের এক মহান অভ্যুদয়; কতিপয় আলবদর–রাজাকার বাদে বাকি সব মানুষের সম্মিলিত অসামান্য প্রতিরোধ ও সৃষ্টির পর্ব—যা এখনো আমাদের সামনের মুক্তির লড়াইকে সাহস জোগায়।
ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব জুরিস্টস প্রকাশিত ‘দ্য ইভেন্টস ইন ইস্ট পাকিস্তান’ (১৯৭২) শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাঙালিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আছে।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতাটার শুরু একটি লাইন দিয়েই। তারপর বর্ণনা আছে, যারা কথা রাখেনি তাদের এবং যে কথাগুলো রাখা হয়নি তার।
প্যারেড স্কয়ারে প্রথমে শুরু হয় কুচকাওয়াজ। এ সময় প্রথমে সালাম গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িতে প্রথমবার জাতীয় পতাকা
আমাদের বোঝা দরকার, কেন এত বছরেও বাংলাদেশ জেনোসাইড আন্তর্জাতিক পরিসরে কাঙ্ক্ষিত মনোযোগ ও স্বীকৃতি লাভ করতে পারেনি?
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি বীর বিক্রম খেতাব পান।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এবার আমরা সবাই নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়েছি।’
প্রথমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় একটি সুসজ্জিত পুলিশ দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই গানকে আরাধ্য করেই মুক্তির পথে এগিয়ে যায় সমগ্র বাঙালি। এই গান স্বাধীন বাংলা বেতারের সূচনা সংগীত; জাতীয় স্লোগানও বটে।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।