রাজশাহীতে দুই দিন ধরে মৃদু তাপপ্রবাহ, তীব্র গরমে শ্রমিকরা কাজ করতে অক্ষম
রাজশাহীতে চৈত্রের খরতাপে টানা দুই দিন মৃদু তাপপ্রবাহ চলছে। তাপমাত্রা ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে শ্রমিকরা কাজে হাঁপিয়ে উঠছেন। হাসপাতাল প্রস্তুতি নিয়ে সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছে।
রাজশাহীতে চৈত্রের খরতাপে টানা দুই দিন মৃদু তাপপ্রবাহ চলছে। তাপমাত্রা ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে শ্রমিকরা কাজে হাঁপিয়ে উঠছেন। হাসপাতাল প্রস্তুতি নিয়ে সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মেধাবী ছাত্র ওমর ওসমান গুচ্ছ, জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেও অর্থের অভাবে পড়াশোনা অনিশ্চিত। বাবার মৃত্যুর পর মায়ের একাই সংসার চালানোর চেষ্টায় তারা কোনোমতে বেঁচে আছে। ভর্তির টাকা জোগাতে ওমর এখন মাঠে ৫০০ টাকা মজুরিতে শ্রমিকের কাজ করছেন।
তাসলিমা আখতার ও শ্রমিকনেতারা সংসদে শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে শ্রম অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
আজ শুক্রবার সকাল থেকে বগুড়ার শেরপুরে ঢাকা কোচ টার্মিনালের আশপাশে বাসের টিকিটের অপেক্ষায় ছিলেন পোশাক কারখানায় কাজ করা অন্তত ৩ থেকে ৪ হাজার নারী-পুরুষ।
আগামী জুন মাস থেকে মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের ভিসা পাওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বেতনের সীমা প্রায় দ্বিগুণ করা হচ্ছে।
রিকশাচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, গাড়ি ভাড়া না থাকায় বাড়িতে যেতে পারেননি। ঈদের আগে যা টাকা ছিল, তার সবটাই বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
চার দফা দাবিতে আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন নোভারটিস বাংলাদেশের শ্রমিকেরা।
তিন মাস ধরে কারখানার শ্রমিকদের বেতন বকেয়া। শ্রমিকদের আবেদনের পরও বেতন পরিশোধ করেনি মালিকপক্ষ। একপর্যায়ে বাকি পড়ে শ্রমিকদের প্রায় ১৬ লাখ টাকা মজুরি। ১৪ মার্চ বেতনের দাবিতে কারখানার ভেতরে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়
দিনাজপুরের বিরামপুরে দীর্ঘদিন রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা অসুস্থ খলিলুর রহমানকে ইজিবাইক উপহার দিয়েছে শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশন। এতে আপ্লুত হন খলিলুর।
গাজীপুরের প্রায় ৫ শতাংশ শিল্পকারখানার শ্রমিকেরা এখনো ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ৯ শতাংশ ঈদ বোনাস পাননি বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ।
দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার প্রধান কারিগর আমাদের সাধারণ শ্রমিকেরা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তাঁরা রপ্তানি আয়ের ঝুলি সমৃদ্ধ করেন।
রাজবাড়ীতে রমজান মাসজুড়ে একদল তরুণের উদ্যোগে হতদরিদ্র মানুষদের মাত্র দুই টাকায় বা বিনা মূল্যে দেওয়া হয় ইফতার।