পাকিস্তানে সম্ভাব্য বৈঠকের ঠিক আগে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা
সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ।
সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ইরান প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘যথাযথ প্রচেষ্টায়’ যোগ দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ছয়টি দেশ। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ঘোষণার পর সবাই আশা করেছিল ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ নিয়ে বড় ঘোষণা করবেন, কিন্তু বুধবারের সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি পুরোনো কথাই পুনরাবৃত্তি করলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে নতুন কোনো পরিকল্পনা নেই। আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে সংক্ষিপ্ত।
যুদ্ধ শুরুর পর বিকল্প উৎস থেকে তেল–গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তবে চাহিদা অনুযায়ী নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না।
ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ তৃতীয় মাস পেরিয়ে চতুর্থ মাসে প্রবেশ করতে চলেছে। এই দীর্ঘায়িত সংঘাতকে ঘিরে এখন আবারও ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান ও ইরাকের মতো যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের ব্যর্থ যুদ্ধগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্টারলিংক, এক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্পদকে সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করার হুমকি দিয়েছে ইরান।
ইরানের মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল।
যুদ্ধের বিস্তার এবং আমেরিকান ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানি বন্দরে নৌ অবরোধের কারণে অন্তত চার মাস বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে না। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়িয়েছে।
দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি এক শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা মনে হচ্ছে বিশ্বাসের ঘাটতি।
ইরানি বাহিনী একই দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে। ইরানের ‘মজিদ’ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করে অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড সেন্সর দিয়ে এই আঘাত হানা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল।