শিশুর সামনে ধৈর্যশীল ও মার্জিত থাকা জরুরি
শিশুরা আমাদের কথা শুনে যতটা না শেখে, তার চেয়ে বেশি শেখে আমাদের কাজ দেখে। সুতরাং শিশুর সামনে নিজেকে কিভাবে উপস্থাপন করছেন সেটা জরুরি।
শিশুরা আমাদের কথা শুনে যতটা না শেখে, তার চেয়ে বেশি শেখে আমাদের কাজ দেখে। সুতরাং শিশুর সামনে নিজেকে কিভাবে উপস্থাপন করছেন সেটা জরুরি।
হাসানের জন্য চকচকে আধা পাকা টিনের বেড়া দিয়ে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। নতুন টি-শার্ট, লুঙ্গি পরে বাড়ির উঠানে হাঁটাচলা করছেন তিনি।
শুনে মনে হতে পারে আপনি যেন দুর্বল হয়ে যাচ্ছেন। বা চুপচাপ সব মেনে নিচ্ছেন। আদতে বিষয়টা পুরো উল্টো।
শান্তিপূর্ণ জীবন ও ভালো ‘ওয়ার্ক–লাইফ ব্যালান্স’ বজায় রাখার জন্য কিছু মৌলিক ‘অফিস রুল’ বা কর্মক্ষেত্রের নিয়ম আছে।
স্কুলভীতির জন্য বাংলা ইংরেজিতে যে শব্দটা ব্যবহৃত হয়—স্কুল রিফিউজাল—এটাকে কোনো রকম রোগ বা ব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। কিন্তু এটি এমন একটি গুরুতর পরিস্থিতি, যেখানে আমাদের মেন্টাল হেলথ ইন্টারভেনশন দরকার।
আমাদের আশপাশে হাই ইমোশনালি ইন্টেলিজেন্ট মানুষের সংখ্যা যে খুব বেশি, তা জোর দিয়ে বলার উপায় নেই। জেনে নেওয়া যাক লক্ষণগুলো।
চোখের পানি মুছতে মুছতে নাজু বেগম বলেন, ‘এ বয়সে ছেলেটারে কী এভাবে আটকাইয়া রাখার কথা। নিজের অনেক কষ্ট হয়। তার মতো ছেলেরা স্কুলে যায়, খেলাধুলা করে; আর সে বন্দী।’
ক্রেতারা যুক্তি দিয়ে পণ্য কেনেন না, এর পেছনে কাজ করে মানুষের জটিল মনস্তত্ত্ব, আবেগ ও আচরণগত প্রবণতা।
বিচ্ছেদের পর অনেকে সাময়িকভাবে ভালো থাকা জন্য নানা ফাঁদে পা দেন। ফলে ওই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার যাত্রা দীর্ঘ ও কঠিন হয়ে যায়।
এমনও হতে পারে, আপনি একজন অন্ট্রোভার্ট; কিন্তু ব্যাপারটা নিজেও জানেন না। একজন ব্যক্তি অন্ট্রোভার্ট কি না, তা বোঝা যায় কীভাবে?
নির্বাচন এলেই আমাদের চারপাশে তর্কবিতর্ক বাড়ে, এটা খুব স্বাভাবিক। ঘরের ড্রয়িংরুম, চায়ের দোকান, অফিসের লাঞ্চ টেবিল বা পাড়ার আড্ডা—সবখানেই রাজনীতি ঢুকে পড়ে।
কান্না থামাতে, খাওয়াতে বা ব্যস্ত রাখতে আমরা শিশুর হাতে তুলে দিচ্ছি ডিজিটাল ডিভাইস; যেমন মুঠোফোন, ট্যাব, টিভি।