
হরমুজের গভীরে আরেক শক্তিতে নজর ইরানের, এর প্রভাবও হবে দুনিয়াজোড়া
ইরান হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন কেব্লে টোল আরোপ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে চায়।

ইরান হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন কেব্লে টোল আরোপ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে চায়।

বিশ্বের দুই বৃহৎ শক্তির বহুল আলোচিত শীর্ষ বৈঠক শেষে শুক্রবার চীন ছাড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সৌদি আরব ও আমিরাত—দুই দেশের কাছেই এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক এবং সুসজ্জিত বিমান বাহিনী রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করতে তেহরানে গেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন সফর শেষে গতকাল শুক্রবার দেশে ফিরেছেন। এখন তিনি ইরান নিয়ে বড় ধরনের কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইরানে সমন্বিত হামলা চালানোর জন্য উপসাগরীয় নেতাদের রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন, তবে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ট্রাম্প-সি বৈঠক শেষে তাইওয়ান ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে কোনো স্পষ্ট অগ্রগতি হয়নি। উভয় পক্ষ সফরকে সফল বললেও বিস্তারিত সমঝোতার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছর স্থগিত করলে তা মেনে নেওয়া যাবে। এর মধ্য দিয়ে পুরোপুরি বন্ধের দাবি থেকে কিছুটা সরে এসেছে ওয়াশিংটন।

ইরান হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা ও ফি বসানো নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা করছে বলে দাবি করেছে। এতে বিপাকে পড়েছে ওমান, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো ভিন্ন পরিকল্পনা দিয়েছে।

সৌদি আরব ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, যা ১৯৭৫-এর হেলসিংকি অ্যাকর্ডসের আদলে তৈরি। ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন পেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান অস্পষ্ট। উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভক্ততা ও স্থবির শান্তি আলোচনার মধ্যে এই উদ্যোগ এসেছে।

সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প ইরান নিয়ে ধৈর্য হারানোর কথা বলেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে দুই নেতা একমত। এদিকে প্রণালিতে জাহাজ আক্রমণের ঘটনায় উত্তেজনা বাড়ছে।