সমাজে শান্তি ফিরাতে নবীজির অপূর্ব ৪ উদ্যোগ
মহানবী (সা.)–এর আগমন-পূর্ব আরব সমাজে ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও বিশৃঙ্খলার জয়জয়কার। তিনি সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ৪টি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
মহানবী (সা.)–এর আগমন-পূর্ব আরব সমাজে ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও বিশৃঙ্খলার জয়জয়কার। তিনি সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ৪টি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
রবীন্দ্রনাথের এই গীতিকবিতা ১৩১৭ বঙ্গাব্দের (১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ) আষাঢ় মাসে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ‘আষাঢ়’ শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রতিবছর আমরা গ্রীষ্মের গরমে হাঁসফাঁস করি।
আইয়ুবি শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল—রাজকোষের বাইরে ওয়াকফ্ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে এমন একটা স্বনির্ভর শিক্ষাকাঠামো গড়া, যা শাসক বদলালেও টিকে থাকতে পারে।
ইসলামের ইতিহাসের আলোচনাতেও রাশিয়ার ও সেখানকার মুসলমানদের প্রসঙ্গ সেভাবে স্থান পায় না। অথচ রুশ দেশ থেকে হজ সফরের কাহিনি কম চিত্তাকর্ষক নয়।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে ধর্মীয় বিধিনিষেধ ও সাংস্কৃতিক বাসনার মধ্যে পুরোনো কিছু বিতর্ক নতুন করে হাজির হয়েছে।
ছাত্রদের অধিকাংশই ছিল গরিব ঘরের সন্তান—নিজের শহরে ফিরে গিয়ে একটা সম্মানজনক অবস্থান পাওয়ার আশায় তারা এখানে পড়াশোনা করতেন, আর মাদ্রাসা তাদের থাকা–খাওয়ার ব্যবস্থা করত।
ইসলামের স্বর্ণযুগে আলেমরা সমাজবিচ্ছিন্ন দরিদ্র গোষ্ঠী ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন বাণিজ্যের সক্রিয় অংশীদার। অর্থনৈতিক স্বাধীনতাই তাঁদের জ্ঞানচর্চাকে শাসকের অনুগ্রহ থেকে মুক্ত রাখতে সহায়ক হয়েছিল।
রাজির চিন্তাধারা তাঁর ছাত্র ও পরবর্তী প্রজন্মের আলেমদের মাধ্যমে আইয়ুবি ও পরে উসমানীয় শিক্ষাব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তার করে। মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
বগুড়ার মহাস্থানগড়ের সংরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা এবং পুরাকীর্তি সংরক্ষণ আইন উপেক্ষা করে মাজার উন্নয়নের নামে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
অতীতে জমি বা দালান ওয়াক্ফ করে যদি নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তাহলে আজকের ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায়, যেখানে দৃশ্যমান জমি নেই, সেখানে ওয়াক্ফ কেমন হবে?
বলা যায় একরকম পিড়াপিড়ি করেই তাঁকে এই মহান দায়িত্বে বসানো হয়। পরদিনই তিনি কাপড়ের গাট্টি মাথায় নিয়ে সাধারণ মানুষের মতো বাজারের দিকে রওনা হন। তিনি মূলত কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন।
আব্বাসীয় আমলে বাগদাদে কাগজ তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রকাশনাশিল্প দ্রুত বিস্তার লাভ করে। আজকের প্রকাশকদের পূর্বসূরি ছিল এই ওয়াররাক সম্প্রদায়।