রামমন্দিরে অর্থ লুটের দায় কার ওপর চাপাতে চায় আরএসএস, কিন্তু মোদি কেন চুপ
অযোধ্যায় রামমন্দিরের দানপাত্র লুটের ঘটনায় অবশেষে মুখ খুলল হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস)। বলল, তদন্ত করে অর্থ চুরির সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।
অযোধ্যায় রামমন্দিরের দানপাত্র লুটের ঘটনায় অবশেষে মুখ খুলল হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস)। বলল, তদন্ত করে অর্থ চুরির সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।
এআই দিয়ে ভুয়া ছবি ও ভিডিও বানানোর হিড়িক তৈরি হয়েছে।
ভারতে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অধীন হিন্দুত্ববাদের উত্থান স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশকে উদ্বিগ্ন করেছে।
হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দল বিজেপি নির্বাচনের জয়ের দুই দিনের মধ্যেই উত্তর ভারতের ধাঁচে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার হগ মার্কেট বা নিউমার্কেটে দোকানঘরে বুলডোজার চালানো শুরু হয়ে গেছে।
ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে অতীতে বিজেপি নিজেদের মজবুত ভিত এবং রাজ্যে মেরুকরণ সৃষ্টি করতে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের নাম বারবার ব্যবহার করেছে। এখন নতুন এক মোড়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে টিপু সুলতানকে।
ভারত সরকারের একটি মন্ত্রকের অনুদান ব্যবহার করে মুসলিম সমাজকে ‘সরিয়ে দেওয়া’ (রিমুভাল) করার ওপরে জোর দিয়ে ডিসেম্বর মাসে একটি অনুষ্ঠান করা হয়েছে।
ভারতের উত্তরাখন্ড রাজ্যের কোটদ্বার এলাকায় এক বৃদ্ধ দোকানিকে হেনস্তা করতে দেখে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের মবের (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এক ব্যক্তি।
কাশ্মীরে যা ঘটছে, তা আসলে বর্জন ও ভয়ের রাজনীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পেরই স্বাভাবিক পরিণতি। যারা আগে থেকেই অবিরাম অবরোধ ও নজরদারির মধ্যে বসবাস করছে, সেই মুসলমানদের এখন আরও বেশি প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ধর্মের ভিত্তিতে তাদের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের মুসলমানদের ভবিষ্যৎ আশাব্যঞ্জক মনে হয় না।
ভারতের মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের একেবারে সামনে এসে বিক্ষোভ করেছেন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) নেতা-কর্মীরা।
হিন্দু-মুসলিম বিতর্ক এড়াতে জম্মুর মেডিকেল কলেজের স্বীকৃতিই বাতিল করে দিল ন্যাশনাল মেডিকেল কাউন্সিল (এনএমসি)।