নবীজির (সা.) উপমায় প্রাণ ও প্রকৃতি: ২
মহানবীর দাওয়াতি কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ ছিল ‘উপমা’। তাঁর উপমা থেকে স্পষ্ট হয় প্রাণ ও প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কত গভীর ছিল।
মহানবীর দাওয়াতি কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ ছিল ‘উপমা’। তাঁর উপমা থেকে স্পষ্ট হয় প্রাণ ও প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কত গভীর ছিল।
সমাজে প্রচলিত এক দোয়ায় ‘তকদির পরিবর্তন হয় না’ বলা হয়, কিন্তু হাদিস ও কোরআন দেখায় দোয়াই তকদির পরিবর্তন করে। ইবনে তাইমিয়া (রহ.) উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন, খাওয়া ছাড়া পেট ভরে না, তেমনি দোয়া ছাড়া বিপদ কাটে না। নবীদের ঘটনা এর প্রমাণ।
হজরত ওমর (রা.)-এর বর্ণনায় নবীজি (সা.)-এর মজলিসে মানুষের রূপে জিবরাইল (আ.)-এর আগমন ঘটে। তিনি ইসলাম, ইমান, ইহসান এবং কিয়ামতের লক্ষণ সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। এই হাদিস দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা প্রকাশ করে।
মহানবী (সা.) আমাদের এমন এক চমৎকার ও প্রজ্ঞাপূর্ণ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে উচ্চারণ করলে জান্নাত পাওয়ার পথ সুগম হবে।
জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে মানুষ বর্তমানের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না। মনে হয়, মৃত্যুই বুঝি সব যন্ত্রণার অবসান। অথচ মানুষের জ্ঞান সীমিত।
প্রতিদিনের অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে ভালোবাসা আর বিশ্বাস অনেক গভীর হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ভুল হলে অপমান নয়, ভালোবাসা দিয়েই তা সংশোধন করা উচিত।
কিছু নৈতিক ও আত্মিক ব্যাধি এ পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এসব প্রতিবন্ধকতার কথা স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে মানুষ আধ্যাত্মিক আমল ও দোয়ার আশ্রয় খোঁজেন। কিন্তু কোনটা সুন্নাহসম্মত আর কোনটা কেবলই লৌকিক প্রথা, তা চিনে নেওয়া জরুরি।
এক জুমার দিন নবীজি (সা.) মদিনায় খুতবা দিচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, বৃষ্টি না হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, আপনি আমাদের জন্য বৃষ্টির দোয়া করুন।’
রাত জেগে অতিরিক্ত কাজ করার কারণ হলো, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা এবং দ্রুত ধনী হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। মানুষ মনে করে সে যত জাগবে, তত আয় করবে।
একবার নবীজির কাছে এক সাহাবি এলেন নামাজের ওয়াক্ত জানতে। সাহাবিকে নবীজি মৌখিক উত্তর দিলেন না। যেতেও দিলেন না সেদিন। নিজের কাছে রেখে দিলেন দুই দিন।
অনেক সময় আত্মীয়স্বজনের মধ্যেই দেখা যায় কেউ আমাদের কষ্ট দিচ্ছে, পেছনে কথা বলছে, ভুল বুঝছে কিংবা কোনো কারণে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।