স্থানীয় নির্বাচনে নির্দলীয় ব্যবস্থার পথে সরকার
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্দলীয় ব্যবস্থা ফেরাতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্দলীয় ব্যবস্থা ফেরাতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ।
সরকার দ্রুত জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেবে, বললেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনই ইসির প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সিইসি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় বা জাতীয় প্রতীকে হবে কি না—বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার পরই নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
স্থানীয় সরকারগুলো আপাতত রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগ করে চালাবে বিএনপি সরকার।
বর্তমান বাস্তবতা, সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানেরই মেয়াদ পার হয়ে গেছে, কোনো কোনোগুলোতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে প্রশাসকও বসানো হয়েছে এবং নতুন সরকার ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তবে সাংবিধানিক ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কর্তৃত্বে পরিচালনা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় দলীয়ভাবে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।
চলতি অর্থবছরের মধ্যেই দেশে পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, এ জন্য সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন এবং নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ড জানাতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন।
যুক্তরাজ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে, বিশেষ করে পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস ও নিউহামে বাংলাদেশি কমিউনিটির ব্যাপক আগ্রহ। মেয়র পদে লুৎফুর রহমান ও ফরহাদ হোসেনের মতো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীরা প্রধান আলোচনায়। চার বরোতে তিন শতাধিক বাংলাদেশি প্রার্থী কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শিক্ষকদের নির্বাচনমুখী হওয়া প্রসঙ্গে নিজস্ব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চার হাজারের বেশি চেয়ারম্যান পদ ও ৪৯৩টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক অংশ নেন। এতে শ্রেণিকক্ষের শিক্ষা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। ভবিষ্যতে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি যেন নির্বাচিত হয়ে আসেন, এখন থেকে সজাগ থাকতে হবে।