
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের দিন কি শেষ হয়ে আসছে
এপস্টেইনের নথিতে নাম থাকা এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ম্যান্ডেলসন বিতর্কের মধ্যে আছেন

এপস্টেইনের নথিতে নাম থাকা এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ম্যান্ডেলসন বিতর্কের মধ্যে আছেন

এপস্টেইন নথি ঘিরে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্টারমার।

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বিশ্বের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির যোগাযোগ ছিল।

সি চিন পিং বলেন, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ‘উত্থান–পতনের’ মধ্য দিয়ে গেছে, যাতে কোনো দেশেরই লাভ হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র বিপদে পড়লে ন্যাটো সদস্যরা এগিয়ে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।

ব্রিটেনের সামরিক ব্যয় বাড়ানোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা কীভাবে মেটানো হবে, তা নিয়ে কয়েক মাস ধরে প্রতিরক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা চলছিল।

কিয়ার স্টারমারেরও বিদায়ঘণ্টা বাজছে, ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের এই ঘন ঘন নেতা পরিবর্তনের দৃশ্য দেশের অনেককে ভাবিয়ে তুলেছে। প্রশ্ন উঠেছে, যুক্তরাজ্য কি তবে শাসন-অযোগ্য হয়ে পড়ছে?

যুক্তরাজ্যের আবাসন ও কমিউনিটি মন্ত্রণালয়ের জুনিয়র মন্ত্রী মিয়াত্তা ফানবুলে মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ দাবি করে তিনি চিঠিতে জনগণের আস্থা হারানোর কথা উল্লেখ করেছেন। এর আগে চার পিপিএসও ইস্তফা দিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় পরাজয় এবং রিফর্ম ইউকের উত্থান রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নাইজেল ফারাজের দলের অগ্রগতি এবং গ্রিন পার্টির শক্তি দ্বিদলীয় ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে। বিশ্লেষকরা এতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর চাপ দেখছেন।

ইরান যুদ্ধে ন্যাটোর সহায়তা না পেয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জোট ছাড়ার কথা ভাবছেন এবং এটিকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলেছেন। দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ন্যাটোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

এ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিয়ার স্টারমারের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাজ্য ও জাপান। জাপান সফররত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার গতকাল শনিবার এ কথা বলেন।