সমস্যা অনেক, সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে সমাধানও সম্ভব
সুষ্ঠু পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বস্তিবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান।
সুষ্ঠু পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বস্তিবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না কিংবা ভোটকেন্দ্রে নির্বিঘ্নে গিয়ে ভোট দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ভোটাররা এখনো শঙ্কিত বলে দাবি করেছেন ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী তাসনিম জারা।
ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে যুক্তরাষ্ট্র।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা মাহমুদুন্নবী তালুকদার। আজ বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জামায়াতের নেতা-কর্মীর ওপর বিএনপির কয়েক দফা হামলার অভিযোগ করেছেন।
মনোনয়নপত্র বাতিলের পর ক্ষোভ জানিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর প্রস্তাবক ও সমর্থককে অপহরণ করা হয়েছে।
নতুন বছরে আমাদের নির্বাচন আছে; আশা করি, একটা সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে। একটি গণতান্ত্রিক সরকার আসুক।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ বিএনপির।
যুক্তরাষ্ট্র ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে।
এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ তাঁদের কাছে ইতিবাচক। ফলাফল যা-ই হোক, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও হানাহানিমুক্ত হবে—এই আশাবাদ ব্যক্ত করলেন সবাই।
বৈঠকে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দিকসহ উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।
নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রথম সূচক হলো বিপন্ন জনগোষ্ঠী ভোট দিতে পেরেছে কি না। ভোট দেওয়ার পরে তারা নিরাপদ ছিল কি না। এরপর তাদের ওপরে কোনো বৈষম্যমূলক আচরণ হয়েছে কি না।