
শূন্য থেকে বিপুল সম্পদের মালিক
হিজরতের পর রাসুল (সা.) মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি করে দিয়েছিলেন। সে সূত্রে আব্দুর রহমানের ভাই হলেন আনসার সাহাবি সাদ ইবনে রবি।

হিজরতের পর রাসুল (সা.) মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি করে দিয়েছিলেন। সে সূত্রে আব্দুর রহমানের ভাই হলেন আনসার সাহাবি সাদ ইবনে রবি।

হাতিব (রা.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, দক্ষ তীরন্দাজ ও দক্ষ ঘোড়সওয়ার। একই সঙ্গে তাঁর ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়।

মহানবী (সা.) অধীনস্থ শ্রমিক, খাদেম ও কর্মচারীদের প্রতি দয়া, সম্মান ও ন্যায়বিচারের আচরণ করতেন। সাহাবি আনাস (রা.)-এর বর্ণনায় তাঁর সেবার অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন হাদিসে অধীনদের অধিকার ও দায়িত্বের কথা উল্লেখ আছে। এ শিক্ষা ইমানের অংশ।

ইসলামের প্রথম যুগে নারী সাহাবিরা হস্তশিল্প, ব্যবসা, কৃষি, চিকিৎসা ও যুদ্ধসেবায় সক্রিয় ছিলেন। পরিবারের সহায়তা ও সদকার উদ্দেশ্যে তাঁরা শালীনতা রক্ষা করে কর্মজীবী হয়েছিলেন। হাদিস ও ঐতিহাসিক বর্ণনায় তাঁদের ভূমিকা স্পষ্ট।

নবীজি (সা.)-এর কবর থেকে শেষ বেরোনো সাহাবি মুগিরা ইবনে শুবা (রা.) ছিলেন অসাধারণ বিচক্ষণ ও কৌশলী। তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও অবদান নিয়ে এই প্রতিবেদন। বাহরাইনের ঘটনা ও কুফার গভর্নরত্বে তাঁর ভূমিকা বিস্ময়কর।

হজরত আয়েশা (রা.) নিজ হাতে ঘরের কাজ করতেন এবং নবীজির যত্ন নিতেন অত্যন্ত নিবেদনের সাথে। তাঁর অতিথিপরায়ণতা ও দায়িত্ববোধ বর্তমান সমাজের জন্য অনুকরণীয়। হাদিসের উল্লেখসহ তাঁর জীবনের এই দিকগুলো বর্ণিত হয়েছে।

মুসলিম সৈন্যরা যখন মদিনায় পরিখা খনন করছিলেন, তখন তাঁদের তাবুগুলো ছিল এই এলাকায়। তবে স্থানটি ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছে এক অলৌকিক মেজবানির জন্য।

যুদ্ধের ময়দানে পারসিকরা রাস্তায় লোহার কাঁটা বিছিয়ে দিয়েছিল। সেনাপতি নুমান (রা.) সুকৌশলে সৈন্যদের পিছিয়ে যাওয়ার ভান করতে বললেন। পারসিকরা মনে করল মুসলিমরা পালাচ্ছে।

দামেস্কে খাদ্যের দাম বেড়ে গেলে সুলতানের প্রতিনিধি সব দরিদ্র মানুষকে সামর্থ্যবান আমির ও বিচারকদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন, যাতে কেউ অভুক্ত না থাকে।

মাত্র ৩৬ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবন, যার মধ্যে ইসলামের ছায়াতলে ছিলেন মাত্র ছয়টি বছর। যার বিদায়বেলায় মহান আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কেঁপে উঠেছিল।

উম্মে সালামা বেশ ভালোভাবেই জানতেন, মা যদি ধার্মিক হয়, যদি হয় খোদাভীরু—তাহলে সমাজের চিত্রই পালটে যাবে। সমস্ত সমাজই ইসলামের আলোয় হয়ে উঠবে আলোকিত।

তিনি একবার নবীজিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, গায়ের রঙের কারণে জান্নাতে তাঁর মর্যাদা কম হবে কি না। নবীজি তাঁকে আশ্বস্ত করেন। পরে তিনি এক যুদ্ধে শহীদ হন।