সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল, আগের হার বহাল
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল
আজ নতুন মুনাফার হার বাতিল করে পুরোনো হার বহাল রাখার প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। গত ছয় মাস যে হারে মুনাফা পেতেন সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা, আগামী ছয় মাসও সেই হারেই মুনাফা দেওয়া হবে।
সঞ্চয়পত্র কেনার আগে পাঁচটি সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলা উচিত। জরুরি টাকা আটকে যাওয়া, বিনিয়োগের স্তর না বোঝা, আয়কর রিটার্নের ভুল, ভুল স্কিম বেছে নেওয়া এবং মেয়াদ না বোঝা—এই ভুলগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।
সঞ্চয়পত্র বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম। যারা কম ঝুঁকিতে নির্দিষ্ট মেয়াদে অর্থ সঞ্চয় করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। তবে বিনিয়োগের আগে সর্বশেষ সরকারি নিয়ম, মুনাফার হার, করনীতি এবং যোগ্যতার শর্ত ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি।
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা তোলার সময় ১০ শতাংশ হারে অগ্রিম কর কেটে রাখা হবে এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় এখন ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হয়।
সঞ্চয়পত্র কেনায় সামর্থ্য কমেছে মানুষের। এখন যত টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়, সঞ্চয়পত্র ভেঙে এর চেয়ে বেশি টাকা তুলে ফেলছেন গ্রাহকেরা। তাই চার বছর ধরে সঞ্চয় বিক্রি করে টাকা ধার নিতে পারছে না সরকার।
৫ লাখ টাকার কম পেনশনার সঞ্চয়পত্র কিনলে মুনাফায় উৎসে কর নেই। আর পরিবার সঞ্চয়পত্র, বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে ৫% উৎসে কর বসবে।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খানের দুটি সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
ভবিষ্যতের জন্য অর্থ সঞ্চয়ের পরিকল্পনা থাকলে নিরাপদ বিনিয়োগের বিষয়টি সবার আগে আসে। আর সেই কারণে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে জনপ্রিয় বিনিয়োগ মাধ্যমগুলোর একটি হলো ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র।
ময়মনসিংহের ভালুকায় হত্যাকাণ্ডের শিকার পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দেওয়া হয়েছে।
কয়েক দিন ধরে সঞ্চয়পত্র কিনতে বিভিন্ন ব্যাংকে ঘুরলাম। ঘুরতে গিয়ে যা দেখলাম, সেটা কষ্টকর। একটা সরকারি ইনস্ট্রুমেন্ট কিনতে গিয়ে গ্রাহককে যে ভোগান্তি পোহাতে হয়, ওপরের মহলের লোকজন সেটা সম্ভবত জানেন না।
বাজেট ঘোষণার পর করদাতাসহ সাধারণ নাগরিকেরা চিন্তা করেন, এই বাজেট তাঁর খরচ কতটা বাড়াবে, কতটা কমাবে। কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে, কোনটির কমবে—এসবের হিসাব–নিকাশে বসে যান অনেকে।