
আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘু ‘ভোটব্যাংক’ ঠিক করবে প্রার্থীর ভাগ্য
কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির অনুপস্থিতিতে এ আসনে এবার বিএনপি ও জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। জয় পেতে দুই দলই আওয়ামী লীগের ভোটের আশা করছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির অনুপস্থিতিতে এ আসনে এবার বিএনপি ও জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। জয় পেতে দুই দলই আওয়ামী লীগের ভোটের আশা করছে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো যে ইশতেহার দিয়েছে, তাতে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ ও অধিকার নিশ্চিতের নিশ্চয়তা না পাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

আওয়ামী লীগ না থাকলেও খুলনার অধিকাংশ আসনে ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে দলটির সমর্থক ও সংখ্যালঘু ভোটারদের অবস্থান।

শুক্রবার রাতে সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সঙ্গে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল দেখা করে মৌখিকভাবে এ অভিযোগ করে।

‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্বাচনকালীন সহিংসতা (২০০১-২০২৪): একটি কাঠামোগত পর্যালোচনা ও বর্তমান ঝুঁকি বিশ্লেষণ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি গতকাল প্রকাশিত হয়েছে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থীদের মধ্যে নারী ১০ জন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন ১২ জন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনের সময়গুলোতে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে।

চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার সুলতানপুরের বণিকপাড়ায় আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের দুটি ঘর পরিদর্শন করেছে একটি নাগরিক প্রতিনিধিদল।

কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ আসনে অতীতে বিএনপি সাধারণত জামায়াতে ইসলামীর জন্য আসনটি ছেড়ে দিত। তবে দীর্ঘদিনের জোট রাজনীতির সমীকরণ ভেঙে গেছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় মুসলিম ও খ্রিষ্টান সমাজের বিরুদ্ধে ‘অকথ্য ভাষায় লিখিত বিদ্বেষপূর্ণ ও ইতিহাস বিকৃত করা পুস্তকাবলি’ বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ আরও বলছে, এই শঙ্কা ও উদ্বেগ ভোট প্রদানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিরুৎসাহিত করতে পারে।

আলোচকেরা বলেন, এখন মতের মিল না হলেই অনেকে সংখ্যালঘু হয়ে যাচ্ছে। মবের কারণে ভয় নিয়ে বাঁচতে হচ্ছে।