এপস্টেইনের নথিতে মোদির নাম: ভারত সরকারের দাবি ‘ভিত্তিহীন’, বিরোধীদের মতে ‘জাতীয় লজ্জা’
এ ঘটনায় সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়েছেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা।
এ ঘটনায় সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়েছেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বিচারক জেফরি এপস্টিনের হাতের লেখা ‘আত্মহত্যার নোট’ প্রকাশ করেছেন। নোটে লেখা ‘নিজের বিদায়ের সময় বেছে নেওয়া সৌভাগ্য’। ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট কারাগারে এপস্টিনের মরদেহ পাওয়া যায়।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন বিতর্কিত ধারা এবং তার অপব্যবহারের কারণে আইনটি বাতিলের দাবি ছিল।
যুক্তরাজ্যে দুই ধর্ষক কিশোরের কারাদণ্ড না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী কিশোরী।
মার্কিন আইনপ্রণেতারা বারবার অভিযোগ করেছেন যে বিচার বিভাগ পুরোপুরি স্বচ্ছ নয়।
এ বিপুলসংখ্যক নথি প্রকাশের পর কলঙ্কিত এই ধনকুবেরকে নিয়ে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্নও সামনে এসেছে।
এপস্টিন ২০১৯ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে মারা যান
তিন পর্যটক ২৫ জুন মাতামুহুরী নদীতে নৌকাভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। নদীর তীরে একটি অবকাশযাপনকেন্দ্রে বিশ্রামের জন্য যান তাঁরা।
আজহারীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ডিপফেক ভিডিও বানিয়ে যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির অভিযোগে দুই আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক বা নিপীড়ন অস্বীকার করে বলেছেন, ‘আমি এপস্টিনের নিপীড়নের শিকার নই।’ তিনি কংগ্রেসের প্রতি প্রকাশ্য শুনানির আহ্বান জানিয়েছেন এপস্টিনের ভুক্তভোগী নারীদের জন্য। এ বিবৃতি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কেউ স্বীকার করেন বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা, কেউ জানান যৌন নির্যাতনের অভিজ্ঞতা, কেউ আবার নিজের অপরাধ বা জীবনের অন্ধকারতম সিদ্ধান্তের কথা।
মার্কিন ধনকুবের ও মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বলেছেন, জেফরি এপস্টিনের অপরাধ সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা ছিল না।