কুখ্যাত এপস্টিনের ‘পুরুষ ক্লাবে’ নারীদের কীভাবে দেখা হতো
এপস্টিনের নথিতে নারীদের সাধারণত পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে
এপস্টিনের নথিতে নারীদের সাধারণত পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে
ফাঁস হওয়া নথি থেকে জানা গেছে, এপস্টিন অনিল আম্বানির সঙ্গে ব্যবসা, নারী ও বৈঠক নিয়ে যোগাযোগ করতেন।
ইসরায়েলের জনসংখ্যাগত কাঠামো বদলানোর প্রচেষ্টা নিয়ে আলাপ করছিলেন এপস্টিন ও এহুদ বারাক।
রাজধানীর এ স্থানে তিনি ২০২৪ সাল থেকে ভাসমান যৌনকর্মীদের সন্তানদের জন্য এই নিরাপদ আশ্রম চালু রেখেছেন।
এপস্টেইন অভিজাতদের ভোগবিলাসকে শুধু ব্যবহার করেননি। তিনি সেটিকে অস্ত্রে পরিণত করেছিলেন। অধিকারবোধকে চাপের উপকরণে, বাড়াবাড়িকে দুর্বলতায়, আর বিশেষাধিকারকে ফাঁদে রূপান্তর করেছিলেন।
এপস্টেইন নথির প্রকাশকে আদালতের ফলাফল দিয়ে বিচার করলে আমরা ভুল বুঝব। এটা মূলত ক্ষমতার প্রতি আস্থার সংকটের প্রতিফলন।
গতকাল শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় পুলিশ।
রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্ব এলাকায় একটি ‘ড্রপ ইন সেন্টারে’ (যেখানে ভাসমান যৌনকর্মীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হয়) চলতি জানুয়ারি মাসেই চারজন যৌনকর্মীর সিফিলিস ধরা পড়েছে।
এক্সের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চ্যাটবট গ্রোক ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই নগ্ন ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি তৈরি করে
সত্তরের দশকে এসে পরিচিত বলিউড যেন বদলে যেতে শুরু করল। রুপালি পর্দায় দেখা গেল বিকিনি, সাহসী রোমান্স, এমনকি যৌনতা নিয়ে সরাসরি কথা বলারও চেষ্টা।
চলচ্চিত্রে নারীর অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে সব সময়ই জটিল ছিল। চলচ্চিত্রমাধ্যম নারীর শরীর, সৌন্দর্য, যৌনতা এবং আবেগগত শ্রমের ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল। দর্শক টানার জন্য চলচ্চিত্র বরাবরই নারীদের ব্যবহার করেছে। অথচ একই সঙ্গে চলচ্চিত্র নিজেদের প্রতিনিধিত্বের ওপর কর্তৃত্ব থেকেও নারীদের বঞ্চিত করেছে।
এবারের কিস্তি মুক্তির পর আগেরগুলোর মতোই আলোচিত হয়েছে, নগ্নতা ও যৌনতার উপস্থাপনা নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে। বিশেষ করে সিডনি সুইনি অভিনীত ‘ক্যাসি’ চরিত্রটি নিয়ে।