‘মিসাইলের বিকট শব্দে পরানে পানি থাকে না, রাতে ঘুমাতে পারি না’
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মাদারীপুরের প্রবাসীরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। মিসাইল হামলা, কাজ বন্ধ ও অনিশ্চয়তায় পরিবারগুলো উদ্বিগ্ন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মাদারীপুরের প্রবাসীরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। মিসাইল হামলা, কাজ বন্ধ ও অনিশ্চয়তায় পরিবারগুলো উদ্বিগ্ন।
‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।
কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।