রমজানে যেভাবে কাটত নবীজির দিনকাল
রমজানের আগ থেকে নবীজি রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রমজান শুরু হলে নিজেকে পুরোপুরি ইবাদতে মশগুল করে রাখতেন। শেষ দশকে নিজের পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।
রমজানের আগ থেকে নবীজি রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রমজান শুরু হলে নিজেকে পুরোপুরি ইবাদতে মশগুল করে রাখতেন। শেষ দশকে নিজের পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।
ওয়ারাকা মুহাম্মদের জবানিতে ঘটনা শুনে বলেন, ‘ইনি তো সেই ফেরেশতা, মুসার কাছে যিনি আসমানি বার্তা নিয়ে আসতেন। হায়, যদি আমি শক্ত-সমর্থ যুবক থাকতাম!
সিরাতচর্চা কোনো মৃত ইতিহাস নয়, আমরা যদি একে তথ্যের খতিয়ান আর যুদ্ধের ইতিহাসের ফ্রেমে বন্দি রাখি, তা আবেগ জোগাবে ঠিকই, কিন্তু চরিত্র বদলাতে পারবে না।
কাতারের আওকাফ মন্ত্রণালয় থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে, যা ইতোমধ্যে হয়ে উঠেছে সিরাত সাহিত্যের অনিবার্য পাঠ। বিশুদ্ধ বর্ণনার বাইরে এতে কিছুই স্থান দেওয়া হয় নি।
ওমরের মতো একজন দূরদর্শী, নিষ্ঠাবান সাহাবিও যখন তাৎক্ষণিক প্রজ্ঞা ধরতে হিমশিম খেয়েছিলেন, তখন উম্মে সালামার পরামর্শের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়।
রণক্ষেত্রের উঁচু টিলার ওপর নবীজির জন্য একটি শামিয়ানা স্থাপন করা হয়েছিল, যেখান থেকে পুরো মাঠ দেখা যেত। এর ভেতরে আবু বকর (রা.) রাসুলের সঙ্গে ছিলেন।
প্রতিদিন দীর্ঘসময় ভিন্ন মানসিকতা, ভিন্ন মেজাজ ও বিচিত্র সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয়। কারো সঙ্গে মতের অমিল হলে মনের ভেতর ক্ষোভ তৈরি হয়।
এই ভালোবাসা কখনো প্রকাশ পেয়েছে মমতাময় আচরণে, কখনো স্নেহমাখা কথায়, আবার কখনো তাঁর প্রতি বিশেষ যত্ন ও গুরুত্ব প্রদানের মাধ্যমে।
হজরত আয়েশা (রা.) নিজ হাতে ঘরের কাজ করতেন এবং নবীজির যত্ন নিতেন অত্যন্ত নিবেদনের সাথে। তাঁর অতিথিপরায়ণতা ও দায়িত্ববোধ বর্তমান সমাজের জন্য অনুকরণীয়। হাদিসের উল্লেখসহ তাঁর জীবনের এই দিকগুলো বর্ণিত হয়েছে।