যেভাবে সম্পন্ন হয় মহানবী (সা.)–এর বিদায় হজ
জিলহজের ৪ তারিখ মক্কায় প্রবেশ করে নবীজি (সা.) তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করেন। ৮ জিলহজ মিনায় এবং ৯ জিলহজ আরাফার ময়দানে তপ্ত রোদের নিচে দাঁড়ান।
জিলহজের ৪ তারিখ মক্কায় প্রবেশ করে নবীজি (সা.) তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করেন। ৮ জিলহজ মিনায় এবং ৯ জিলহজ আরাফার ময়দানে তপ্ত রোদের নিচে দাঁড়ান।
সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ দেখানো, নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাঝেও তার আরাম নিশ্চিত করা—এসব ছোট ছোট আচরণই একটি শিশুর মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
তায়েফ দুর্গ অবরোধের সময় যখন তিনি দেখলেন যে দীর্ঘ অবরোধ চালালে মুসলিম মদিনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, তখন তিনি সাহসিকতার সঙ্গে অবরোধ তুলে নেন।
মদিনার তিন দিক ছিল পাহাড় ও ঘন খেজুরবাগানে ঘেরা, যা প্রাকৃতিকভাবেই সুরক্ষিত ছিল। কেবল উত্তর দিক ছিল উন্মুক্ত, যেখান দিয়ে শত্রুর প্রবেশের সম্ভাবনা ছিল।
‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কি মক্কায় আপনার বাড়িতে অবস্থান করবেন? নবীজি বলেন, ‘আকিল কি আমাদের জন্য কোনো চারদেয়াল বা ঘরবাড়ি অবশিষ্ট রেখেছে?
অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।
রমজানের আগ থেকে নবীজি রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রমজান শুরু হলে নিজেকে পুরোপুরি ইবাদতে মশগুল করে রাখতেন। শেষ দশকে নিজের পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।
হিজরতের পর মদিনায় ‘রাষ্ট্রপ্রধান’ হওয়ার পরও তাঁর জীবনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর শয্যা ছিল খেজুর পাতার তৈরি, যা শরীরে দাগ ফেলে দিত।
মক্কার তপ্ত বালু থেকে তায়েফের রক্তাক্ত প্রান্তর—সবখানেই তিনি ধৈর্য ও সংকল্পের মাধ্যমে জয়ী হয়েছেন। সফল হওয়ার জন্য তাঁর জীবনের ১০টি জীবনমুখী শিক্ষা তুলে ধরা হলো:
ওয়ারাকা মুহাম্মদের জবানিতে ঘটনা শুনে বলেন, ‘ইনি তো সেই ফেরেশতা, মুসার কাছে যিনি আসমানি বার্তা নিয়ে আসতেন। হায়, যদি আমি শক্ত-সমর্থ যুবক থাকতাম!
নেতৃত্বের প্রকৃত সংজ্ঞায় মহানবী (সা.)-এর চেয়ে সফল কেউ নেই। তাঁর জীবন থেকে সফল নেতা বা সংগঠক হওয়ার ১০টি অনন্য সূত্র তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো অনুসরণ করে যেকোনো দলকে সাফল্যের শিখরে নেওয়া সম্ভব।
মহানবী (সা.) অধীনস্থ শ্রমিক, খাদেম ও কর্মচারীদের প্রতি দয়া, সম্মান ও ন্যায়বিচারের আচরণ করতেন। সাহাবি আনাস (রা.)-এর বর্ণনায় তাঁর সেবার অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন হাদিসে অধীনদের অধিকার ও দায়িত্বের কথা উল্লেখ আছে। এ শিক্ষা ইমানের অংশ।