
কতটা ধৈর্য ধরেন হজরত আইয়ুব (আ.)
অসুস্থতার কারণে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশী সবাই তাঁকে ত্যাগ করে চলে যায়। এমনকি তাঁকে জনবসতি থেকে দূরে এক নির্জন স্থানে ফেলে আসা হয়।

অসুস্থতার কারণে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশী সবাই তাঁকে ত্যাগ করে চলে যায়। এমনকি তাঁকে জনবসতি থেকে দূরে এক নির্জন স্থানে ফেলে আসা হয়।

সুরা কাহাফের তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট—আসহাবে কাহাফের তরুণ দল, নবী মুসার জ্ঞানের সফর এবং জুলকারনাইনের বিশ্বাভিযান—আমাদের সামনে নেতৃত্বের তিনটি অনন্য মডেল পেশ করে।

হাটে পশুকে নির্মমভাবে পেটানো, ট্রাকে গাদাগাদি করে আনা, কিংবা জবাইয়ের সময় অপ্রয়োজনীয় কষ্ট দেওয়া—আমাদের প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।

যিনি তাৎক্ষণিক বা জরুরি ঋণে জর্জরিত এবং পাওনাদার টাকা চাচ্ছে, তার জন্য কোরবানির টাকা জমিয়ে না রেখে আগে ঋণ শোধ করা ফরজ। ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করাকে জুলুম।

জনমানুষের চিন্তার এই ‘এজলাস’ তৈরি করার প্রক্রিয়ায় পাশ্চাত্যের মিডিয়া প্রায়ই নৈতিক মানদণ্ডের চেয়ে পুঁজির স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়। এখানে ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান দেয় ইসলামের অগ্রাধিকারের বিধি।

দাঁতগুলো যেন পড়ে না যায়, সেজন্য সোনার তার দিয়ে পাশের দাঁতের সঙ্গে বেঁধে রাখার কৌশল তাঁরাই প্রথম শিখিয়েছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক বাস্তবতা কিংবা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই—সবক্ষেত্রেই সফলতা অর্জনের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয় এবং কিছু প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে চলতে হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আইনি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মসজিদ ইসলামের কোনো অবিচ্ছেদ্য অংশ কি না। যেহেতু পুরো পৃথিবীই নামাজের জন্য অবারিত।

নবীজি (সা.) শিখিয়েছেন সততা ও বিশ্বস্ততাই হলো ব্যবসার আসল মূলধন। একজন সফল উদ্যোক্তা বা কর্মজীবী হওয়ার জন্য তাঁর জীবন থেকে ১০টি বৈপ্লবিক সূত্র তুলে ধরা হলো।

আয়াতটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সংক্রান্ত আলোচনার সমাপ্তিতে এসেছে। এটি নির্দেশ করে যে মহাবিশ্বের সৃষ্টিশৈলী যারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তারাই আল্লাহর মহিমা বুঝতে সক্ষম হন।

ইসলামি ইতিহাসে কারাগার ছিল শাস্তি ও সহমর্মিতার মিশ্রণ। বন্দিরা পরস্পর খাবার ভাগ করে সাম্যবোধ গড়ে তুলতেন, শাসকরা নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা করতেন। মমলুক সুলতান জহির বারকুক রমজানে প্রতিদিন ২৫টি গরু জবাই করে বন্দিদের মাংস-রুটি বিতরণ করতেন।

ইসলামি ইতিহাসে কারাগার কীভাবে মুসলিম মনীষীদের জ্ঞানসাধনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে, তা তৃতীয় পর্বে বর্ণিত। ইমাম সারাখসি, ইবনে তাইমিয়া প্রমুখ কারাবন্দী অবস্থায় অমর রচনা রচনা করেন। জেলের নির্জনতা তাঁদের জন্য ছিল গবেষণার আশ্রয়।