কারবালার মনস্তত্ত্ব: অন্যায়ের বিরুদ্ধে ‘না’ বলার সাহস
যেকোনো অন্যায্য ব্যবস্থা টিকে থাকে মানুষের নীরব সম্মতির ওপর ভর করে। ইয়াজিদের ক্ষমতারোহণের সময় অধিকাংশ মানুষ নিরাপত্তার স্বার্থে বা বৈষয়িক কারণে চুপ ছিল।
যেকোনো অন্যায্য ব্যবস্থা টিকে থাকে মানুষের নীরব সম্মতির ওপর ভর করে। ইয়াজিদের ক্ষমতারোহণের সময় অধিকাংশ মানুষ নিরাপত্তার স্বার্থে বা বৈষয়িক কারণে চুপ ছিল।
হিজরির কারবালায় উমাইয়া শাসনযন্ত্র ঠিক একই ধরনের একটি সুপরিকল্পিত তথ্য নিয়ন্ত্রণ চালিয়েছিল। কারবালার ঘটনা ছিল রাষ্ট্রীয় অপপ্রচার বনাম সত্যের লড়াই।
অতীতে জমি বা দালান ওয়াক্ফ করে যদি নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তাহলে আজকের ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায়, যেখানে দৃশ্যমান জমি নেই, সেখানে ওয়াক্ফ কেমন হবে?
আব্বাসীয় আমলে বাগদাদে কাগজ তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রকাশনাশিল্প দ্রুত বিস্তার লাভ করে। আজকের প্রকাশকদের পূর্বসূরি ছিল এই ওয়াররাক সম্প্রদায়।
কর্দোবার অভিজাতদের অনুসরণে সাধারণ ধনাঢ্য নাগরিকদের মধ্যেও ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার রাখার রীতি একপ্রকার সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।
তিনি নিজেও বাজার পর্যবেক্ষণে বের হতেন। পাগড়ি মাথায়, লাঠি বা চাবুক হাতে তিনি মদিনার বাজারে বাজারে হাঁটতেন এবং অপরাধী দেখলে শাস্তি দিতেন।
পৃথিবীর নানা প্রান্তে কন্যাসন্তানকে বোঝা মনে করার মানসিকতা টিকে আছে। তাই প্রশ্নটা এখনো প্রাসঙ্গিক— ইসলাম কন্যাসন্তানের জন্য আসলে কী নিশ্চিত করেছিল?
আব্বাসীয়রা তাদের আন্দোলনের মূল স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করেছিল নবী-পরিবারের অধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিকে, যাতে অনারব মুসলিমদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল।
বই পোড়ানোর অধিকাংশ ঘটনাই ঘটেছে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী এবং ক্ষমতার রাজনীতির প্রত্যক্ষ মদদে। যেকোনো স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো মুক্তচিন্তাকে ভয় পাওয়া।
বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।
তারা ছিলেন সুরুচি, পরিচ্ছন্নতা ও আভিজাত্যের অনন্য প্রতীক। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষের মনে আলেমদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে যে কৃচ্ছ্রসাধনের চিত্র রয়েছে, তা মূলত ইতিহাসের সম্পূর্ণ বিপরীত।
বায়তুল মাল ব্যবস্থার সৌন্দর্য হলো, এর একটি অংশ সব সময় সমাজের দরিদ্রতম মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় নিবেদিত থাকত। ফলে প্রান্তিক মানুষ কখনো অনাহারে থাকত না।