হাজিকে অর্থ দিয়ে দোয়া চাওয়া: ইসলামের নির্দেশনা কী?
হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।
হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।
নবীজি (সা.)-এর প্রিয় উট কাসওয়া হিজরত, মসজিদে নববী নির্মাণ, হোদাইবিয়া সন্ধি সহ নবুয়তের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিল। সিরাত-হাদিসে এর বিবরণ মর্যাদার সঙ্গে পাওয়া যায়। নবীজির ইন্তেকালের পর এটি শোকাহত হয়ে মারা যায়।
হিজরি নবম বছরে তায়েফের সাকিফ গোত্রের প্রতিনিধিদল মদিনায় এসে ইসলাম গ্রহণ করে। নবীজি (সা.)-এর প্রজ্ঞাময় আতিথেয়তা, ধৈর্যশীল আলোচনা ও নমনীয়তার মাধ্যমে এই ঘটনা ঘটে। এটি দাওয়াতের সঠিক পদ্ধতির শিক্ষা দেয়।
কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দুই পবিত্র মসজিদে প্রতি রাতে তারাবির নামাজ ১০ রাকাত এবং এরপর ৩ রাকাত বিতর নামাজ পড়ানো হবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রমজান মাসে মসজিদে নববিতে মুসুল্লিদের ইবাদতের অভিজ্ঞতা আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে প্রতি বছরের মতো এবারও এই বিশাল স্বেচ্ছাসেবী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কি মক্কায় আপনার বাড়িতে অবস্থান করবেন? নবীজি বলেন, ‘আকিল কি আমাদের জন্য কোনো চারদেয়াল বা ঘরবাড়ি অবশিষ্ট রেখেছে?
কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।
খাওয়ার সময় এক যুবক সালাম দিয়ে ইংরেজিতে জানাল, ইয়েমেন থেকে মাসহ ওমরাহয় এসেছে। তাদের সব চুরি হয়েছে। দেশে ফিরে যেতে পারছে না। একটা চিকেন খেতে দিয়ে অর্থিক সাহায্যে অপারগতা প্রকাশ করলাম। তৎক্ষণাৎ সে চলে গেল। পরে জানলাম, একশ্রেণির মানুষের এটা ব্যবসা। মন খারাপ হলো।
হোটেলের প্রবেশমুখে এখনো আস্তানা গেড়েছে বেশ কিছু বিড়াল, সংখ্যায় পনেরো-বিশের কম হবে না। কোন মানুষ হেঁটে যাওয়ার সময় করুণ গলায় মিও মিও করছে, দেখলে মায়া লাগে। এত দিন হোটেলের উচ্ছিষ্ট খেয়ে তাদের চলে যেত, এখন হয়তো মঙ্গা ভর করেছে তাদের পৃথিবীজুড়ে।
ক্লক টাওয়ার একবার ডানে হারায়, একবার বাঁয়ে হারায়। এভাবে লুকোচুরি খেলতে খেলতে আমাদের গাড়ি পৌঁছে গেল নির্দিষ্ট গন্তব্যে। আমাদের হোটেল ঠিক করা আছে ইব্রাহিম খলিল রোডের কবুতর মাঠের সামনে।
মসজিদে নববির আজান শ্রুতিমধুর, নামাজের কিরাত পাঠ অসাধারণ কোনো সুর। এখানের কোনায় কোনায় যেন শান্তির বীজ রোপণ করা আছে। কী অদ্ভুত মুগ্ধতা যেন ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রাখা আছে এ জায়গার জল, মাটি, আকাশ আর বাতাসে। এই অনুভূতি আমার কাছে নতুন, আমি এই পরিস্থিতির কাছে অপরিচিত এবং এই বৈচিত্র্যে আমি অনভ্যস্ত বলে এই পরিবেশ আমার কাছে কখনো অদ্ভুত, কখনো আশ্চর্য।
মসজিদে নববিতে ৩০১ আর ৩৩০ নম্বর গেটের পাশে পাসপোর্ট আর ভিসার রেকর্ড রেখে বিনা মূল্যে হুইলচেয়ার দেওয়া হয়। আমি আর আমার স্ত্রী রুনা আসরের নামাজ শেষে ৩৩০ নম্বর গেটে গিয়ে একটি হুইলচেয়ার নিলাম।