সিজেপির কঠোর অবস্থানের পর পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির কঠোর অবস্থানের পর তিনি পদত্যাগ করেছেন; আজ বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির কঠোর অবস্থানের পর তিনি পদত্যাগ করেছেন; আজ বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার কলকাতার আর জি কর হাসপাতালের চিকিৎসক ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথ বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়ছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায়।
১৯৪০ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ লাহোরে তাঁর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ নিয়ে ভাষণ দেন। শিগগিরই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাওয়া এই নেতা সে সময় দাবি করেছিলেন, ‘হিন্দু ও মুসলমানরা যে কখনো একটি একক জাতীয়তা গড়ে তুলতে পারে—এটি কেবলই একটি স্বপ্ন।’
বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ‘টিপাইমুখ বাঁধ’ বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুস সামাদ আজাদের অনুরোধে ভারত চালু করেছিল বলে সংসদে জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
গত ২০ বছরে রাকেশের অল্প জমির প্রান্তিক চাষি পরিবার পৈতৃক ভিটেমাটির বড় অংশই বিক্রি করেছে বহুজাতিক রিয়েল এস্টেট সংস্থার কাছে। সেই বিক্রির টাকায় উঠেছে দোতলা বাড়ি, উঠোনে গাড়ি, ঘরে পুষ্টিকর খাবারের নিশ্চয়তা। আর সবচেয়ে বড় কথা, সন্তানদের জন্য শিক্ষার সুযোগ, যা তাদের সম্প্রদায়ের অনেকের কাছেই দীর্ঘদিন অধরা ছিল।
ভারতের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরেই একধরনের কঠিন আঞ্চলিকতার ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
এই শতকের শুরুতে, যখন ভারত বিশ্ব অর্থনীতির এক উজ্জ্বল তারকা হিসেবে মাথাচাড়া দিচ্ছিল, তখন দেশটির অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোয় এক কালো ছায়া নেমে আসে। সেটি হলো মাওবাদী বিদ্রোহ।
ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে দীর্ঘ সংকট তৈরি হয়েছে। একদিকে মিয়ানমারের প্রলম্বিত গৃহযুদ্ধ, অন্যদিকে ভারতের কঠোর সীমান্তনীতি ও ৪ বিলিয়ন ডলারের কাঁটাতার প্রকল্প—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে সেখানকার জাতিগোষ্ঠীগুলো। মিয়ানমার সীমান্তে চীন ও ভারতের ভূরাজনৈতিক লড়াই এ অঞ্চলে কী নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে তা নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন আলতাফ পারভেজ।
আমরা এই জিনিস ভুলে গিয়ে একে আর একজনকে ভারতপন্থী বলে ট্যাগের মাধ্যমে বিভাজনের রাজনীতিই করে যাচ্ছি। কিন্তু যারা বলছে তারা এখনো কোনো পলিসি দেখাতে পারছে না, উপরন্তু ভাঙচুর এবং মবের মাধ্যমে সারা দেশ অস্থিতিশীল করছে। তাদের এই বিভাজনের রাজনীতি ফ্যাসিস্ট লীগের অনুরূপ এবং তা ভারত এবং লীগকেই শক্তিশালী করবে। ভারত এই দেশে পতিত লীগ ছাড়া আর কাউকেই বিশ্বাস করবে না, এই জিনিস যত আগে মেনে নিতে পারেন ততই ভালো।
দেশভাগের কয়েক বছর পর ভারত ও পাকিস্তান সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, শুধু সাধারণ বন্দী নয়, মানসিক হাসপাতালে থাকা রোগীদেরও দুই দেশের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।
ভারত সরকার সোশ্যাল মিডিয়ায় সংবাদ ও রাজনৈতিক পোস্ট নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম প্রস্তাব করেছে। এতে ইনফ্লুয়েন্সার ও পডকাস্টাররাও আওতায় আসবে। গত মাসে প্রায় এক ডজন এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়েছে।
অনেক ত্রুটি সত্ত্বেও গণতান্ত্রিক একটি ব্যবস্থা বহু বছর বজায় রেখেছিল ভারত। এ জন্য গোটা বিশ্বে শ্রদ্ধাও পেয়েছিল।