আর্থিক সাক্ষরতা যে কারণে অতিজরুরি
বাংলাদেশ ব্যাংক এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে—‘আর্থিক সাক্ষরতায় সূচিত হোক নিরাপদ ক্যাশলেস লেনদেন’।
বাংলাদেশ ব্যাংক এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে—‘আর্থিক সাক্ষরতায় সূচিত হোক নিরাপদ ক্যাশলেস লেনদেন’।
সদ্য বিদায়ী গভর্নর কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়ে রিজার্ভ ও ডলার–সংকটসহ তখনকার সংকটগুলো সামাল দিয়েছেন। এখন নতুন গভর্নরকে চলমান সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করে ব্যাংক খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে দেশের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮ দশমিক ২১ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ দশমিক ৫৭ লাখ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ।
পদত্যাগের কারণ হিসবে মবের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহ। গতকাল বুধবার তিনি গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
নতুন সরকারের সামনে আরেকটা বড় চ্যালেঞ্জ আছে। সেটি হলো প্রতিশ্রুতি পূরণ তথা প্রত্যাশার ব্যবস্থাপনা।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো প্রথম জটিলতা। বিএনপি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে এ ধরনের শপথের উল্লেখ নেই।.
খেলাপি ঋণ আদায়ে বিকল্প পদক্ষেপের পরামর্শ গভর্নরের
ব্যাংক ও রাজস্ব খাতের সংস্কার না করলে দেশকে অনেক বেশি মূল্য চুকাতে হবে বলে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সতর্ক করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো সংশোধন সম্ভব হলেও সংস্কার থেকে পিছিয়ে যাওয়া যৌক্তিক নয়। আইএমএফ কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য এগুলো জরুরি।
১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত অ্যামচেমের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কুকসন।
নতুন গভর্নর বলেছেন, চলমান সংস্কারপ্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সরকারের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে সহযোগিতা করা হবে।
মাও সে–তুং যেমন বলেছিলেন, ‘শত ফুল ফুটতে দাও’, আমার পর্যবেক্ষণে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এই দুই বছরে ভালো-মন্দ মিলিয়ে বহু উদ্যোগ ও নতুন চিন্তার উন্মেষ ও বিকাশ ঘটেছে।
চিফ হুইপ দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলায় ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।