প্রতি দুজনের নমুনায় একজনের হাম শনাক্ত
শনাক্তের হার ৫১ দশমিক ৮২। প্রতি দুজনের নমুনা পরীক্ষায় একজন হামের রোগী পাওয়া যাচ্ছে।
শনাক্তের হার ৫১ দশমিক ৮২। প্রতি দুজনের নমুনা পরীক্ষায় একজন হামের রোগী পাওয়া যাচ্ছে।
নতুন ইবোলা প্রাদুর্ভাবে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় এখন পর্যন্ত ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আসক বলেছে, প্রতিরোধযোগ্য রোগে শিশুদের মৃত্যু শুধু মানবিক বিপর্যয় নয়, এটি রাষ্ট্রীয় দায় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার রক্ষায় ব্যর্থতারও প্রশ্ন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, হামে মৃতদের ৫১ শতাংশের এই রোগের টিকা নেওয়ার বয়সই হয়নি।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে হামে এত আক্রান্ত ও মৃত্যু নেই। ২০২৪ সালে ২৪৫ জন এবং ২০২৫ সালে ১২৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।
এই নতুন প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিকাদানের পাশাপাশি রোগ ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: ডব্লিউএইচও
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০তম সপ্তাহের (১১–১৭ মে) এবং ২১তম সপ্তাহের (১৮–২৪ মে) রোগতাত্ত্বিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব কমে আসছে।
ডুবে মৃত্যু রোধে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর করণীয় সম্পর্কে যে বৈশ্বিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, সেটি ঘানায় কেন, এ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কয়েকটি যুক্তি তুলে ধরেছিল।
১৭ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় ১৭তম বারের মতো ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ইবোলা ভাইরাসের বর্তমান প্রাদুর্ভাবকে জনস্বাস্থ্যের জন্য বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে।