
ট্রাম্প যেভাবে আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছেন
সোভিয়েত ইউনিয়নও কেবল সামরিক দুর্বলতার জন্য ভেঙে পড়েনি; ভীতিপ্রদর্শন দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষয়কে ঢাকতে পারেনি।

সোভিয়েত ইউনিয়নও কেবল সামরিক দুর্বলতার জন্য ভেঙে পড়েনি; ভীতিপ্রদর্শন দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষয়কে ঢাকতে পারেনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আগে যাঁরা ব্যবসা করতে গেছেন, তাঁদের মতো জাতিসংঘও এখন এক পরিচিত কৌশলের শিকার।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার স্বৈরশাসক নিকোলা মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে বেশ উৎসবমুখর আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশ খুব দ্রুতগতিতে ইতিহাস গড়ে চলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও বিশ্ব একসঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বেদনাদায়ক প্রয়াণ প্রত্যক্ষ করল। এর জন্য আমি তাঁর পরিবার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

এই শতকের শুরুতে, যখন ভারত বিশ্ব অর্থনীতির এক উজ্জ্বল তারকা হিসেবে মাথাচাড়া দিচ্ছিল, তখন দেশটির অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোয় এক কালো ছায়া নেমে আসে। সেটি হলো মাওবাদী বিদ্রোহ।

তুষারময় শীতকে পেছনে ফেলে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস দুই দিনের সফরে ভারতে গেছেন।

ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান এখন ইতিহাসের বিপজ্জনক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশজুড়ে বিক্ষোভ এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং স্থায়ী অবস্থায় রূপ নিচ্ছে। নতুন করে অস্থিরতার ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সহিংসতাও বেড়েছে। প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে আবারও একটি পরিচিত প্রশ্ন সামনে এসেছে। ইরান কি ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের মতো আরেকটি মোড়ের দিকে এগোচ্ছে।

এসব বিশৃঙ্খলা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বিপুল অনিশ্চয়তা ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই বৈশ্বিক অস্থিরতার পেছনে একমাত্র না হলেও প্রধান চালিকা শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র।

ইরান শুধু একটি রাষ্ট্র নয়, মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর ইরানের প্রভাব রয়েছে। কেন্দ্রীয় শাসন দুর্বল হলে এসব নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে ঢুকে পড়বে।

গ্রিনল্যান্ডে এখনো পুরোপুরি কাজে না লাগানো তেল ও গ্যাসের বিশাল ভান্ডার রয়েছে। বরফ গলে গেলে বিরল খনিজ সম্পদের উত্তোলন আরও সহজ হবে। এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও অস্ত্রশিল্পের জন্য অপরিহার্য। যদি ট্রাম্পের আগ্রহ বিরল খনিজে হয়, তাহলে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড—উভয় পক্ষই অংশীদারিমূলক চুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিন্তু ট্রাম্প যে ভাগাভাগির পথে হাঁটছেন—তার কোনো লক্ষণ নেই।

ভেনেজুয়েলায় যা ঘটছে, তা কোনো আদর্শিক লড়াই বা দুই রাষ্ট্রের সংঘাত নয়; এটি একধরনের বৈশ্বিক ‘রিসিভারশিপ’

যুক্তরাষ্ট্রের বোমায় যখন ভেনেজুয়েলার আকাশ জ্বলে উঠছিল, তখন আমরা এক ক্ষয়িষ্ণু সাম্রাজ্যের রোগলক্ষণ দেখতে পাচ্ছিলাম।