বিপদ এলে মুমিনের ৭ করণীয়
বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
কখনো বিপদ আমাদের চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। এই কঠিন সময়ে মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন পবিত্র কোরআনের বাণী হতে পারে মানসিক শক্তির উৎস।
ইবনুল জাওজি ছিলেন তাঁর যুগের প্রখ্যাত ওয়ায়েজ ও লেখক, যাঁর মজলিশে হাজারো মানুষ ইসলাম গ্রহণ করত। তাঁর জীবনে ছিল একের পর এক মর্মান্তিক পরীক্ষা, যেমন বন্যায় লাইব্রেরি ধ্বংস, সন্তান শোক ও নির্বাসন। তাঁর গ্রন্থ <em>সাইদুল খাতির</em>-এ বিপদ মোকাবিলায় ধৈর্যের অনন্য নীতি তুলে ধরেছেন।
বিপদ–মুসিবত এলে, যখন বাহ্যিকভাবে মুক্তির কোনো উপায় চোখে পড়ে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, আল্লাহ কি আমার ওপর অসন্তুষ্ট?
নবী ইউনুসের কথা ভাবুন। গভীর সমুদ্রের অন্ধকার, রাতের অন্ধকার, মাছের পেটে দমবন্ধ অবস্থা, তিন স্তরের ঘুটঘুটে অন্ধকার। এখান থেকে বের হওয়া মানবীয় দৃষ্টিতে অসম্ভব।
কিছু দুঃখ আছে যা সবাইকে বলা যায় না; আবার কিছু ব্যথা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। এ সময় মানুষ এমন কাউকে খোঁজে, যার কাছে নির্ভয়ে সব বলা যায়।
ফিতনা শুধু কষ্ট বা বিপদ নয়, বরং ভালো অবস্থাও এক ধরনের পরীক্ষা হতে পারে। এর মাধ্যমে মানুষের ইমান, ধৈর্য ও সত্যনিষ্ঠা প্রকাশ পায়।
আমাদের একটি কথা যেমন কারও মুখে হাসি ফোটাতে পারে বা শান্তি আনতে পারে, তেমনি একটি কটু কথা ধ্বংস করে দিতে পারে বহু বছরের পুরোনো সম্পর্ক।