যে বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনো থামবে না, বাংলাদেশেও কি এভাবে বিদ্যুৎ তৈরি সম্ভব
এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো সোলার প্যানেল নেই, নেই কোনো বিশাল উইন্ড টারবাইন। জীবাশ্ম জ্বালানির তো কোনো নামগন্ধই নেই।
এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো সোলার প্যানেল নেই, নেই কোনো বিশাল উইন্ড টারবাইন। জীবাশ্ম জ্বালানির তো কোনো নামগন্ধই নেই।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমি প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছি।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পারমাণবিক চুল্লি থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ২০২৩ সালে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট এবং পরের বছর দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়সূচি থেকে ইতিমধ্যে তিন বছরেরও বেশি পিছিয়ে গেছে। এই বিলম্বের কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা রাশিয়ার রোশাটমকে বাংলাদেশকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার অতিরিক্ত সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে।
বকেয়া পাওনার দাবিতে আজ সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে এই প্রস্তাব দেয় বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকদের সংগঠন বিআইপিপিএ।
জাহেদ উর রহমান রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র, গণমাধ্যম তথ্য, অর্থনৈতিক প্রকল্প ও নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।
বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, আগের সরকারের চুক্তিগুলোর কারণে আর্থিক বোঝা বাড়ছে। সরকার আইনি পর্যালোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে।
রাতে নিজ কক্ষে লাতিপভ ভিলকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তাঁর সহকর্মীরা। পরে বিষয়টি প্রকল্প কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়
আমিরাত হামলার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কোনো দেশকে দায়ী করেনি।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটম ডিজির সাক্ষাতে রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ডলারের হিসাবে প্রকল্পের খরচ বাড়েনি, টাকার হিসাবে খরচ বেড়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। ১০ বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ৪২ টাকা।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ২১টি ড্রেসিং টেবিল কেনা হয়েছে প্রতিটি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকায়, যা বাজারদরের ১৮ গুণ বেশি। সিএজির তদন্তে শুধু ড্রেসিং টেবিলে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম সত্ত্বেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।