বিএনপির মন্ত্রিসভায় এবারও খুলনার কেউ নেই, ক্ষোভ-হতাশা
খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। তবে নতুন মন্ত্রিসভায় খুলনার কারও জায়গা হয়নি। এতে দলীয় নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। তবে নতুন মন্ত্রিসভায় খুলনার কারও জায়গা হয়নি। এতে দলীয় নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে কমবেশি ১ হাজার ২০০ দেশি–বিদেশি অতিথি যোগ দিতে পারেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শপথ নিয়েছে।
নোয়াখালী থেকে কেউ মন্ত্রী না হওয়ায় হতাশ বিএনপির নেতা–কর্মীরা।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নরসিংদী-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এ আসনে বিএনপি থেকে চারবার নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য এবার প্রথমবারের মতো মন্ত্রিপরিষদে স্থান পেলেন। নবগঠিত মন্ত্রিসভায় তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
রাজশাহীতে অবস্থানকালে মিজানুর রহমান আগের মতোই রিকশায় চড়ে শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন। প্রতিদিনের মতো চায়ের দোকানে বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
এবার মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম থেকে স্থান পাওয়া দুজনের একজন মন্ত্রী এবং অপরজন প্রতিমন্ত্রী। ১৯৮২ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার দশকে এবারই সবচেয়ে কম মন্ত্রী পেল চট্টগ্রাম।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ছাত্রদলের সাবেক পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতা স্থান পেয়েছেন।
১৯৭৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ে ৩৪ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রপতির বিশেষ সহকারী দায়িত্বে এসেছেন।
নতুনদের কাঁধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়
দায়িত্বের প্রথম দিনেই শিক্ষামন্ত্রী বললেন, শিক্ষায় শুধু ‘হাই জাম্প’ নয়, ‘মোর মোর জাম্প’ দরকার; শিক্ষাক্রম পরিবর্তন নয়, হবে রিভিউ।
প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই মন্ত্রী হলেন দীপেন দেওয়ান। তাঁর বাবা সুবিমল দেওয়ান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।