‘এ ধরনের আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়’
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে চলছে দিনব্যাপী মুক্তকণ্ঠ বৈশাখী উৎসব।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে চলছে দিনব্যাপী মুক্তকণ্ঠ বৈশাখী উৎসব।
ঝড় উঠুক, উঠুক অনিবার্য কোনো নিয়তির মতো বৈশাখের উন্মত্ত নিশ্বাসে ভেঙে যাক মানুষের অহংকারে গড়া দালান, ধূলিসাৎ হোক ইট-কাঠের সভ্যতার মিথ্যা গৌরব, আছড়ে পড়ুক বৃক্ষেরা—
এ পথের অর্ধেক আলোয় অন্ধ কিছু কাক ক্রমে উড়ে যায়, যখন সন্ধ্যা ধীরে পথ থেকে নেমে পথহীনতায় যেতে থাকে তবু কিছু ছেঁটে ফেলা ঝোপঝাড়ে নাগরিক জোনাকিগুলো
মনোজ অধিকারীর চোখের দিকে তাকিয়ে মৃদু স্বরে বলল সুবর্ণা, ‘কাশিমপুর কত দূর! কেমনে যামু ওইখানে?’
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান বলেছেন, পয়লা বৈশাখসহ ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় এমন সব সংস্কৃতি তারা ধারণ করবে। রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শোভাযাত্রার পর রমনা পার্কে উৎসব চলছে।
আজকের আলোচনার শিরোনামে তিনটি শব্দ আছে: ‘সংস্কৃতি’, ‘বাংলাদেশ’ ও ‘খোঁজ’। ‘সংস্কৃতি’ বলতে সাধারণ মানুষেরা বোঝেন শিল্পসাহিত্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। শোভাযাত্রায় মোরগ, হাতি, পায়রা, দোতারা ও ঘোড়াসহ পাঁচটি প্রধান মোটিফ রয়েছে, প্রতিটি আলাদা বার্তা বহন করে।
ভোর হয় ধীরে, দোতারা খঞ্জনি কত কী বাতাসে বটতলে বাউলের জলসায় আজ কে না যাবে, ঘুঙুরের শব্দে গাঢ় অন্ধকার ফিকে হয় যুবক-যুবতীরা উত্তাল, ঘাসবন ফুঁড়ে উঠে আসে।
আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।
লন্ডনে বাংলা সংগীত শিক্ষালয় সুরালয় উৎসাহ–উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন করেছে।
রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বৈশাখী মেলা এখন পুরোপুরি জমে উঠেছে। পয়লা বৈশাখে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে সাত দিন।