মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে যে ভুয়া ভিডিওগুলো ছড়াচ্ছে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে যে এগুলো ইসরায়েলে ইরানের হামলার, তবে ফ্যাক্ট চেকে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে যে এগুলো ইসরায়েলে ইরানের হামলার, তবে ফ্যাক্ট চেকে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি।
বাংলা বর্ষবরণের উৎসব চলার মধ্যে নারী হেনস্তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি পয়লা বৈশাখের ঘটনা। ফ্যাক্ট চেকে দেখা যায়, তা আসলে ভারতের রাজস্থানের ঘটনা।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্বাধীনভাবে অবৈধ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারলেও এখন আর পারছেন না বলে আব্দুল জব্বারের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। ফ্যাক্ট চেকে দেখা যাচ্ছে, এটি সত্য নয়।
কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবনে গেছেন সেলিনা হায়াৎ আইভী, এমন একটি ছবি ছড়িয়ে পড়লেও ফ্যাক্ট চেকে দেখা যাচ্ছে, এটি এআই দিয়ে তৈরি।
বৃষ্টিতে ফসলহানি হয়ে হাওরে কৃষকের দুর্ভোগের মধ্যে খেতে ভিজে ভিজে ধান কাটার মধ্যে ভাত খাওয়ার যে ভিডিও ছড়িয়েছে, ফ্যাক্ট চেকে দেখা যায়, তা সাজানো হতে পারে।
ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় প্রিয় দলের পতাকা ছাদে ওড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে একটি ছবি ছড়িয়ে যে দাবি করা হচ্ছে, ফ্যাক্ট চেকে তার ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধারের একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্যাক্ট চেকে দেখা যাচ্ছে, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি।
‘একমাত্র জামাত দেশ রক্ষার জন্য রাজনীতি করে, বাকিরা টাকার জন্য’—স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার নামে এমন একটি বক্তব্য ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ফ্যাক্ট চেকে দেখা যায়, তা ঠিক নয়।
আলোচিত কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্যের বিস্তারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনেও, যা ফ্যাক্ট চেকে ধরা পড়ছে।
নোয়াখালী কারাগার থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মাহবুব এলাহী জিপিএ-৫ পায়নি, আর ফটোকার্ডের ছবিটি এআই-নির্মিত।
শেখ হাসিনা নয়াদিল্লিতে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পোস্টগুলোতে মন্তব্যকারীরা এটি বাংলাদেশের বলে ধরে নিলেও যাচাইয়ে দেখা যায়, এটি আলজেরিয়ার এবং মাদ্রাসার শিক্ষকের হাতে শিশু নির্যাতনের ঘটনাও নয়।