ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা, বিশ্ববাজারে আরও দুর্বল হলো ডলার
সপ্তাহের শুরুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরস্পরবিরোধী বার্তার কারণে বিনিয়োগকারীরা এখনো স্থায়ী সমাধান কী হবে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে আছেন।
সপ্তাহের শুরুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরস্পরবিরোধী বার্তার কারণে বিনিয়োগকারীরা এখনো স্থায়ী সমাধান কী হবে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে আছেন।
গত সপ্তাহে সোনার দাম পাঁচ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার মূল কারণ হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প কাকে ফেডের চেয়ারম্যান হিসেবে নেন, তা নিয়ে আশঙ্কা।
এবার ফেডের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত যেমন অভূতপূর্ব ঘটনা, তেমনি পাওয়েল ট্রাম্প সম্পর্কে যা বললেন, তা–ও নজিরবিহীন।
দেশের বাজার ও বিশ্ববাজারে সোনার দাম নতুন রেকর্ড গড়েছে। চলতি বছর বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৫০০০ ডলারে উঠতে পারে।
এক বছরের মাথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সেই একচ্ছত্র ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে। নতুন বছরের প্রথম কয়েক মাসেই ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে।
ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার আরও কমাতে পারে—এমন প্রত্যাশা, শুল্কনীতি ঘিরে অনিশ্চয়তা, নীতিনির্ধারণে অস্থিরতা—এসব নানা কারণেই ডলারের দাম কমছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম যে হারে বেড়েছে, তার প্রভাবে এপ্রিল মাসে ফেডারেল রিজার্ভের পছন্দের মূল্যসূচক (পিসিই) বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান ড. অ্যালান গ্রিনস্প্যানের বিদায়ী সংবর্ধনায় ২০০৬ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ রসিকতা করে বলেছিলেন যে গ্রিনস্প্যান নাকি একজন ‘রকস্টার’–এর সমতুল্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।