
জিলহজের প্রথম দশকে বিশেষ ৫ আমল
জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে জিলহজের প্রথম ১০ রাতের কসম করে এই দশকের গুরুত্ব মহিমান্বিত করেছেন,

জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে জিলহজের প্রথম ১০ রাতের কসম করে এই দশকের গুরুত্ব মহিমান্বিত করেছেন,

‘সালাতুত তাসবিহ’ এক ফজিলতপূর্ণ নফল নামাজ যা গুনাহ ক্ষমা ও আত্মশুদ্ধির জন্য বিখ্যাত। বিভিন্ন হাদিসে এর গুণ বর্ণিত হয়েছে। জীবনে অন্তত একবার এই নামাজ আদায়ের নির্দেশ রয়েছে।

ইতিকাফের একটি বড় ফায়দা হলো—ইতিকাফকারী অত্যন্ত পবিত্র ও গুনাহমুক্ত পরিবেশে থাকেন। শরিয়তের দৃষ্টিতে মসজিদে তাঁর অবস্থানটুকুই ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়।

সদকাতুল ফিতর একটি ফজিলতপূর্ণ ওয়াজিব আমল। সমাজের দুস্থ, অসহায় ও দরিদ্র মানুষেরা যেন ঈদের আনন্দে শামিল হতে পারেন, সে জন্য সদকাতুল ফিতর বা ফিতরার বিধান রয়েছে।

নবীজি তাঁর উম্মতকে রমজানে চারটি আমল বেশি করতে বলেছেন। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, আর দুটি আমল এমন, যা না করে বান্দার উপায় নেই।

রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।

রমজান কেবল ক্ষুধার্ত থাকার নাম নয়, বরং এটি স্রষ্টার সঙ্গে এক গভীর মিতালি এবং নিজের আত্মাকে নতুন করে চেনার এক অনন্য সুযোগ।

এই বিশেষ উপহারটি হলো সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫-২৮৬)। এই দুই আয়াত কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি আরশ থেকে আসা নুর।