সিলেট-৫: জমিয়তের ‘গলার কাঁটা’ বিএনপির ‘বিদ্রোহী’, ‘ফুরফুরে মেজাজে’ খেলাফতের প্রার্থী
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। দলটি এখানে সমর্থন দিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুককে।
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। দলটি এখানে সমর্থন দিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুককে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে সমর্থন দিয়েছে মির্জাপুর উপজেলা জাতীয় পার্টি।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থী হয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বিএনপির সমর্থন পেয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক।
পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁদের প্রতি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলো আলাদা করে সমর্থন দিয়েছিল। তবে ভোটের মাঠে এর প্রভাব পড়েছে কম।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল (কাপ-পিরিচ)। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্য–বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বিএনপির শরিক দলের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীবকে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিবসহ জেলার শীর্ষ ওলামা মাশায়েখরা সমর্থন দিয়েছেন।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় কোনো সংগঠনের সমর্থন ছাড়াই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একটি অংশ মিলে ‘সাধারণের ঐক্যস্বর’ নামে প্যানেল গঠন করেছেন।