‘অ-পাহাড়ি’ প্রতিমন্ত্রী প্রত্যাহারসহ ৫ দাবি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন দীপেন দেওয়ান। প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন দীপেন দেওয়ান। প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রীর পদত্যাগবিষয়ক ঘটনাবলি চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে নিয়ে দেশবাসীর মনে সন্দেহ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
বিএনপির নতুন সরকারে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাহাড়ি একজন মন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন অপাহাড়ি একজন। এই প্রথম কোনো নির্বাচিত সরকারের আমলে এমন ঘটনা ঘটল, যা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
বিবৃতিদাতারা বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় এসে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখে।
বিবৃতিদাতারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিযুক্তির ক্ষেত্রে পাহাড়ের পাহাড়ি নাগরিকদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত নগণ্য।
রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের (জেএসএস সমর্থিত) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ বুধবার পৃথকভাবে এ দুই শহরে দিবসটি পালিত হয়। এতে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চুক্তি আদায় করে ছাড়ব।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শহরের কলেজ গেট এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। সমাবেশের আগে কলেজ গেট এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
জেএসএসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তব্য দেন ঊষাতন তালুকদার
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পার্বত্য অঞ্চলে আরও ঋতুপর্ণা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন। রাঙামাটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে তিনি ক্রীড়া ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। বালিকা বিভাগে পাকুজ্যাছড়ি স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের কাছ থেকে তাঁর ‘ইচ্ছার বিরুদ্ধে পদত্যাগপত্র আদায় করা হয়েছে’ মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতা। আজ মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় বিএনপির উপজাতিবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মনীষ দেওয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন।
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের সাঙ্গু নদের পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ডলু, টঙ্কাবতী, মাইনী ও চেঙ্গী নদীর পানিও বেড়েছে। দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়েকটি উপজেলার বহু মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।