
যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া পূরণ না করলে মাদুরোর মতোই পরিণতি হবে দেলসির: রুবিওর হুঁশিয়ার
রুবিও বলেন, ‘ইতিহাসে এমন নজির খুব কমই আছে, যেখানে অল্প বিনিয়োগে এত বড় সাফল্য অর্জন করা গেছে।’

রুবিও বলেন, ‘ইতিহাসে এমন নজির খুব কমই আছে, যেখানে অল্প বিনিয়োগে এত বড় সাফল্য অর্জন করা গেছে।’

ইরানে বিক্ষোভ, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে তুলে আনাসহ ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে এক মাস ধরে সোনার দাম বাড়ছে।

মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের যোগাযোগ শুরু হয় গত শরতে।

সরাসরি ও মধ্যস্থতাকারী—দুই মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কাবেলো যোগাযোগ রেখে চলেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার স্বৈরশাসক নিকোলা মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে বেশ উৎসবমুখর আলোচনা চলছে।

মাদুরোকে নিয়ে কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে রাজধানী কারাকাস থেকে তুলে আনার জন্য মার্কিন সামরিক অভিযান চালানোর কয়েক মাস আগে থেকেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন।

গত এক সপ্তাহে এমন কিছু উদ্ভট বামপন্থীকে খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল না, যারা ইরানের প্রতিবাদকারীদের সাম্রাজ্যবাদের অসহায় হাতিয়ার বলে আখ্যা দেয়। এদের কেউ কেউ আবার নিকোলা মাদুরো যে স্বৈরশাসক, সেটা স্বীকার করতে চায় না। তারা খামেনি বা মাদুরোর প্রশংসা না করলেও তাদের শাসনব্যবস্থার পতনও চায় না।

গত জুনে ইরান, ডিসেম্বরে নাইজেরিয়া এবং জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের হামলা গ্রিনল্যান্ড দখলের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

মাদক-সন্ত্রাস মামলায় নিউইয়র্কে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে।

ট্রাম্প ও ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠদের বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি আইনের দিক থেকে গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সশস্ত্র আধা সামরিক গোষ্ঠীগুলো মার্কিন নাগরিকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে—এমন খবর পাওয়া গেছে।