
নারীদের শিক্ষায় উম্মে সালামার অবদান
উম্মে সালামা বেশ ভালোভাবেই জানতেন, মা যদি ধার্মিক হয়, যদি হয় খোদাভীরু—তাহলে সমাজের চিত্রই পালটে যাবে। সমস্ত সমাজই ইসলামের আলোয় হয়ে উঠবে আলোকিত।

উম্মে সালামা বেশ ভালোভাবেই জানতেন, মা যদি ধার্মিক হয়, যদি হয় খোদাভীরু—তাহলে সমাজের চিত্রই পালটে যাবে। সমস্ত সমাজই ইসলামের আলোয় হয়ে উঠবে আলোকিত।

তিনি একবার নবীজিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, গায়ের রঙের কারণে জান্নাতে তাঁর মর্যাদা কম হবে কি না। নবীজি তাঁকে আশ্বস্ত করেন। পরে তিনি এক যুদ্ধে শহীদ হন।

খাদিজার চেয়ে উত্তম কাউকে আল্লাহ দান করেননি। মানুষ যখন আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন খাদিজা সত্য বলে গ্রহণ করেছিলেন, সবাই যখন শত্রু ছিল, তিনিই ছিলেন আশ্রয়।

তাঁর মৃত্যুকে সাহাবিগণ বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখেছেন। ইবনে আব্বাস (রা.) তাঁর মৃত্যুর সংবাদ শুনে সিজদা করেন—কারণ, নবীজির স্ত্রীদের মৃত্যু উম্মতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

দাম্পত্যে তিক্ততা তৈরি হলেও সমাজ বা পরিবারের চাপে অনেকে ধুঁকে ধুঁকে জীবন কাটান। সাহাবি বারিরার সাহসী সিদ্ধান্ত আমাদের জানায়, মানুষের অন্তরকে বাধ্য করার যায় না।

মক্কার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এই বিবাহ সম্পন্ন হয়। আবু তালিব যে খুতবা পাঠ করেন, তা জাহেলি যুগের আরবি গদ্যসাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করে।