নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে 'বিন্না ঘাস' ব্যবহারের আহ্বান পানিসম্পদমন্ত্রীর
নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে বিন্না ঘাস রোপণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে বিন্না ঘাস রোপণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বন্যা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার মতো ঝুঁকি বাড়ার কথা বলেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জলবায়ু সহনশীল পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকারের উদ্যোগের কথা জানান।
নির্মাণের ৯ বছরের মাথায় সেই সড়কের দেড় কিলোমিটার অংশের প্রায় ৯০ শতাংশই নদীগর্ভে চলে গেছে।
কুড়িগ্রামের চিলমারী ইউনিয়নের চর কড়াইবরিশাল, বিশারপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প ও চর শাখাহাতি এলাকায় অন্তত ৭০টি পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে আছে আরও প্রায় ৩০০টি পরিবার।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার গড়াই নদের ভাঙনে নারুয়া ও জঙ্গল ইউনিয়নের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিতে পড়েছে। ভাঙনে নারুয়া-কোনাগ্রাম সড়কের বিভিন্ন অংশ সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠ আয়োজিত ‘জলবায়ুজনিত প্রভাবের অ-অর্থনৈতিক ক্ষতি’–বিষয়ক একটি গোলটেবিল আলোচনায় শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আবদুল বারেক
জামালপুরের পাঁচটি উপজেলায় নদীভাঙন ও বন্যার তীব্রতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন।
হাতিয়ায় মেঘনার ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে তাসলিমার পরিবার এখন নিঃস্ব।
ভাঙন রোধে নদীতে ফেলা জিও ব্যাগ অনেকে নদী থেকে তুলে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করেছেন। কেউ শৌচাগারের বেড়া দিয়েছেন, কেউবা গোয়ালঘরের।
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, উপকূলীয় উপজেলা সুবর্ণচর ও হাতিয়ায় মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ রোববার দুপুরে নোয়াখালীতে নদী ভাঙন পরিদর্শন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিস্তা শুধু ভাঙে আর ভাঙে। এই শীতেও তিস্তার ভাঙন থেমে নেই।